ভারতের লাল নদী নামে বিখ্যাত, বর্ষায় লাল হয় এ নদীর জল
ভারতের এই লাল নদী কিন্তু বাংলা থেকে খুব দূরে নয়। মূলত বর্ষাকালে এই নদীর জল লাল রং ধারণ করে।
এ নদী ৩টি দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যেখানেই গেছে, স্থানভেদে বদলে গেছে এর নাম। জন্ম নিয়েছে মানসসরোবরের কাছে আংসি হিমবাহ থেকে। তারপর তা তিব্বতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অরুণাচল প্রদেশ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
অরুণাচল হয়ে অসম। অসম দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশেষে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে গঙ্গার সঙ্গে মিশে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। মোহনায় তৈরি হয়েছে গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ।
এতক্ষণে অনেকেই আন্দাজ করে নিতে পেরেছেন ব্রহ্মপুত্র নদের কথা বলা হচ্ছে। তিব্বত ও অরুণাচলের পাহাড়ি এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বর্ষায় প্রবল বৃষ্টির জলে পুষ্ট ব্রহ্মপুত্র প্রচুর পরিমাণে লাল মাটি, আয়রনে পূর্ণ পলি বয়ে নিয়ে আসে।
যার প্রভাব সরাসরি ব্রহ্মপুত্রের জলে পড়ে। জলের রং বিশেষত বর্ষাকালে লাল হয়ে যায়। অসমে সেই লাল জলের ব্রহ্মপুত্র সবচেয়ে নজর কাড়ে।
ব্রহ্মপুত্র অনেকটাই তিব্বত দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সেখানে তাকে সবাই চেনেন আরলাং সাংপো নামে। অরুণাচলে প্রবেশের পর সেখানে এই নদী পরিচিত ডিহাং নামে। তারপর অসমে প্রবেশ করার পর তার নাম হয় ব্রহ্মপুত্র।
এই ব্রহ্মপুত্রই বাংলাদেশে প্রবেশের পর সেখানে তাকে ডাকা হয় যমুনা নামে। যা গঙ্গার সঙ্গে মিশে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। মাঝে বর্ষার সময় তার লাল রং ধারণ বহু মানুষের কাছেই বেশ অবাক দৃশ্য। যা প্রতিবছরই নজর কাড়ে।













