মাকে বিয়েতে না ডাকায় চাকরি গেল ছেলের, নজির গড়লেন এক সংস্থার মালিক
ছেলের বিয়ের দিনটা এক মায়ের কাছে অবশ্যই স্মরণীয়। সেই মাকে দেখতে ভাল নয় যুক্তি দেখিয়ে বিয়েতে ডাকলেন না ছেলে। শুনে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ছেলের বস।
ছেলে ভাল চাকরি করেন। যে সংস্থায় কর্মরত সেই সংস্থার বসের সুখ্যাতি শহর জুড়ে। তিনি তাঁর কর্মচারিদের পাশে থাকেন। কর্মচারিদের যথেষ্ট অর্থও দেন। এমন খ্যাতির জন্য পরিচিতি তাঁর আলাদাই।
তাঁর অফিসের কর্মচারি বিয়েতে নিমন্ত্রণ করেছেন। সেই নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে আসছিলেন তিনি। সে সময় একটি কারখানার পাশে যাঁর বিয়ে তাঁর মাকে বসে থাকতে দেখেন ওই ব্যক্তি।
ওই বৃদ্ধার কাছে হাজির হন তিনি। জানতে চান ছেলের বিয়ে হচ্ছে, জাঁকজমক হচ্ছে। কিন্তু বৃদ্ধা এখানে একাকী বসে আছেন কেন? বিষয়টি নিয়ে পরে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তাঁর অফিসের কর্মচারি এবং যাঁর বিয়ে সেই যুবককেও জিজ্ঞেস করেন সংস্থার মালিক।
যুবক স্পষ্ট জানান, তাঁর মাকে দেখতে খারাপ। তাই তাঁর জন্য বিয়ের অনুষ্ঠানে যাতে তাঁকে অপ্রস্তুত হতে না হয় সেজন্যই মাকে বিয়েতে ডাকেননি ওই যুবক।
একথা শোনার পর যুবকের বস তাঁকে মনে করিয়ে দেন, যখন ওই যুবকের বয়স মাত্র ২ বছর ছিল, তখন তাঁর বাবা পরলোকগমন করেন। এরপর কি কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে তাঁর মা তাঁকে মানুষ করেন।
সেই মাকে বিয়েতেই না ডাকাটা মেনে নিতে পারেননি সংস্থার মালিক। ওই মুহুর্তেই তিনি যুবককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন। যুবকের সবে বিয়ে হয়েছে। তাই তাঁর চাকরিটা যাতে থাকে সেজন্য যুবকের সহকর্মীরাও সংস্থার মালিকের কাছে আর্জি জানান।
কিন্তু তিনি সাফ জানিয়ে দেন যাঁর কাছে মূল্যবোধ বলে বস্তু নেই, তাঁকে তিনি সংস্থায় রাখবেন না। এখানেই শেষ নয়। যুবকের মাকে তাঁর সংস্থায় একটি কাজও দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। যাতে তাঁর জীবন কাটাতে কোনও অসুবিধা না হয়। এই খবরটি সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বের অনেক সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।












