State

নতুন ইতিহাস রচনা করল দার্জিলিংয়ের বিখ্যাত টয় ট্রেন

দার্জিলিং যাবেন আর টয় ট্রেনে চড়বেননা এমন পর্যটক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। শৈল শহরের এই অন্যতম আকর্ষণ এবার গড়ল এক নতুন ইতিহাস।

দার্জিলিং শব্দটা বাঙালি জীবনে একটা অন্যই অনুভূতি বহন করে। হিমালয়ের অপার সৌন্দর্য, পাহাড়, বরফের পাশাপাশি দার্জিলিংয়ের আর এক অন্যতম আকর্ষণ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে বা সকলের পরিচিত টয় ট্রেন। পাহাড়ের গা বেয়ে হিমালয়কে আরও কাছ থেকে, আরও আপন করে পাওয়ার আনন্দ উপভোগ করতে পর্যটকেরা দার্জিলিং গেলে টয় ট্রেনে অবশ্যই চড়েন।

নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে পরিচালিত এই টয় ট্রেন ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা পাওয়া একটি পাহাড়ি রেলওয়ে। ন্যারোগেজের এই রেল যাত্রাকে আরও সুরক্ষিত, আরও উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা লাগাতার চালিয়ে যাচ্ছে নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে। এই বিশ্বখ্যাত ট্রেন এবার অন্য এক নতুন ইতিহাস লিখে ফেলল।

দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের ভিড় সারা বছরই লেগে থাকে। ২০২২ সালের মে মাসে এই টয় ট্রেন কেবল ১ মাসে আয় করেছিল ৩১৯.৬৪ লক্ষ টাকা। সেটা ২০২৫ সালের মে মাসে অনেকটা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৫৮.৬০ লক্ষ টাকা।

২০২৬ সালের মে মাসে সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। গত মে মাসে টয় ট্রেন থেকে মাত্র ১ মাসে রোজগার হয়েছে ৩৯৫.৬০ লক্ষ টাকা। এই ট্রেন চালু হওয়ার পর থেকে কোনও ১ মাসে এত টাকা উপার্জন টয় ট্রেন আগে কখনও করতে পারেনি।

এই সাফল্যকে টয় ট্রেনের বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা হিসাবেই দেখছেন রেলকর্তারা। টয় ট্রেন কেবল একটি ট্রেন যাত্রা নয়। একটি আনন্দ যাত্রা। যা বড়দেরও কিছুক্ষণের জন্য শৈশবে ফরিয়ে দেয়। আর ছোটদের তো আনন্দের সীমা থাকেনা। খেলনা ট্রেন বলেই মনে করে তারা। টয় ট্রেনে ভ্রমণ মনের মণিকোঠায় চিরদিন রেখে দেওয়ার মত এক অভিজ্ঞতা সন্দেহ নেই। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article