অসমে বন্যা হলেও বৃষ্টি কম জুনে, উত্তরপূর্বের ৭ বোনই জলকষ্টে ভুগছে
অসম এবং অরুণাচল প্রদেশে বৃষ্টি, বন্যা জনজীবনকে বিধ্বস্ত করেছে। কিন্তু জুন মাস নিয়ে আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট আশ্চর্য সত্য সামনে আনল।
অরুণাচলে প্রবল বর্ষণ। তার জেরে বন্যা পরিস্থিতি। লাগোয়া অসমের ৬ জেলা বন্যা বিধ্বস্ত। গ্রামের পর গ্রাম জলের তলায় চলে গেছে। গবাদি পশুদের ভয়ানক ক্ষতি হয়েছে। ২২ হাজারের ওপর মানুষ বন্যার কবলে দিশেহারা।
ক্ষেত জমি ভেসে কৃষিজ পণ্যের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। সবই হয়েছে গত জুন মাসে। কিন্তু আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট বলছে বন্যা হলে কি হবে অসমে জুন মাসে বর্ষা ঘাটতির পরিমাণ ৩৭ শতাংশ! মানে জুনে অসমে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৭ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ভারতে যে ঘাটতির অঙ্ক ৪৩ শতাংশ!
শুধু কি অসম! লাগোয়া অরুণাচল প্রদেশে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা পরিস্থিতির পরও সেখানে জুনে বর্ষা ঘাটতির পরিমাণ ৪৪ শতাংশ! ৪৪ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে শুধু জুন মাসেই। বেহাল অবস্থা উত্তরপূর্ব ভারত জুড়েই।
যেখানে এবার দেশজুড়ে বর্ষায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর সেখানে আশা জাগিয়েছিল উত্তরপূর্ব ভারত। কারণ দেশজুড়ে কম বৃষ্টি হলেও উত্তরপূর্ব ভারতে স্বাভাবিক বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল।
কিন্তু জুনের ছবিটা একদম আলাদা। উত্তরপূর্বের সেভেন সিস্টার্স নামে বিখ্যাত অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর, সর্বত্র বর্ষা ঘাটতি নজর কাড়া।
এই ৭ বোনের মধ্যে জুন মাসে বৃষ্টিতে ঘাটতি মণিপুরে রেকর্ড হয়েছে ৭১ শতাংশ। যা সেখানকার কৃষকদের মাথায় হাত ফেলে দিয়েছে। অন্যদিকে নাগাল্যান্ডে ঘাটতি ৫৬ শতাংশ, ত্রিপুরায় ঘাটতি ৩৬ শতাংশ, মিজোরামে ঘাটতি ৩৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে উত্তরপূর্ব ভারতে বর্ষা ঘাটতির পরিমাণ সার্বিকভাবে ৪২ শতাংশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













