এল নিনো সক্রিয়, বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগরে তার কেমন প্রভাব পড়বে, পাওয়া গেল পূর্বাভাস
এল নিনো ইতিমধ্যেই যে সক্রিয় হয়েছে তা বিশ্ববাসীর জানা হয়ে গেছে। এখন তার প্রভাব ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে। ভারতের ২ ধারের জলভাগে তার প্রভাব কতদিন থাকবে।
এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরে তার শক্তিবৃদ্ধির পর এবার তার প্রভাব ছড়ানো শুরু করেছে। ভারতের বর্ষায় তার প্রভাব সরাসরি পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। যার জেরে ভারতে এবার বর্ষা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হবে। ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলে থাকা বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগরেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যা ক্রমে বৃদ্ধি পাবে।
এল নিনো বঙ্গোপসাগরের মত জলভাগের জলের উত্তাপ বৃদ্ধি করতে পারে। তার বিরূপ প্রভাব পড়বে প্রবাল প্রাচীরে। বঙ্গোপসাগরের চেনা চরিত্রে বদল আনবে এল নিনোর প্রভাব।
এল নিনো তার প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে ঠিকই, তবে তার সর্বোচ্চ প্রভাব বিস্তার শুরু হবে চলতি বছরের শীতে অর্থাৎ নভেম্বর থেকে জানুয়ারিতে। যার ফলে ২০২৭ সালের এপ্রিল-মে মাস পর্যন্ত ভারত মহাসাগরের জল অপেক্ষাকৃত গরম থাকবে।
বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগরের বাস্তুতন্ত্র এই উত্তাপ বৃদ্ধির কবলে পড়বে। যা ২০২৭ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকবে। সেইসময় সবচেয়ে বেশি প্রকট হবে এই প্রভাব। যার হাত ধরে মাছেরাও তাদের চেনা জায়গা ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দেবে ঝাঁকে ঝাঁকে। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে।
এখানেই শেষ নয়। এল নিনোর প্রভাব যতদিন থাকবে ততদিন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগরে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ দেখতে পাওয়া যাবে। আর তা ঘনঘন দেখা যাবে।
তাছাড়া এই বর্ষায় বঙ্গোপসাগর একটু বেশিই উত্তাল থাকবে। ভারতের পূর্ব প্রান্তের উপকূলীয় এলাকাগুলিতে তাই বাড়বে বন্যার আশঙ্কা। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা ইনকয়িস। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











