এল নিনো এবার থাবা বসাচ্ছে মাছে, মাছের আকাল কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, চিন্তায় মৎস্যজীবীরা
মাছে ভাতে বাঙালির মন খারাপ করা একটি পূর্বাভাস সামনে এল। এল নিনো এবার থাবা বসাচ্ছে মাছেও। মাছের আকাল নিয়ে আগাম সতর্কতা।
মাছ ভারতের একটা অংশের মানুষের বড় প্রিয় খাদ্য। বাঙালিদের তো বটেই। সেই বাঙালির পাতে কমতে পারে ইলিশ, খয়রার মত মাছের জোগান। কমতে পারে আরও নানাধরনের সামুদ্রিক মাছে রসনা তৃপ্তির সুযোগ। আর তার প্রধান কারণ এল নিনো।
প্রশান্ত মহাসাগরের জলের উপরিস্তরের উত্তাপ বৃদ্ধির প্রভাব কেবল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকেনা, তা ছড়ায় গোটা পৃথিবীতেই। তার জেরে গরম বাড়ে, বৃষ্টি কমে। আবার কোথাও কোথাও অতি বৃষ্টি হয়। কোথাও খরা।
কিন্তু এই এল নিনো স্থলভাগের সঙ্গে সঙ্গে জলভাগেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যার জেরে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সুযোগ কমবে। এমনই এক আগাম সতর্কতা জারি করেছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা ইনকয়িস।
ইনকয়িস-এর তরফে দেওয়া এই মাছ সংক্রান্ত প্রথম বুলেটিনে তারা বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগরে এন নিনোর প্রভাবে মাছ ধরার সমস্যার কথা তুলে ধরেছে। এল নিনোর জেরে আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত জলের চরিত্র বদল হবে। যার প্রভাব সরাসরি ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের ২ সাগরের জলের বাস্তুতন্ত্রে পড়বে। আর তার জেরেই কমবে মাছ ধরার সুযোগ।
মৎস্যজীবীরা যেখানে মাছ পাওয়া যাবে বলে জানেন, সেখানেও মাছের দেখা সেভাবে পাবেন না। কারণ মাছেরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার কথা ভেবে তাদের চেনা থাকার জায়গা পরিবর্তন করবে। অপেক্ষাকৃত ভালভাবে যেখানে থাকতে পারবে, সেখানে সরে যাবে।
ফলে মৎস্যজীবীদের জালে সেভাবে মাছ আসবে না। সেই সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব মাছের আকারেও পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। এই ২ সাগরের জলে যে মাছ পাওয়া যায় তাদের কেমন আকার হয় তা জানা। কিন্তু এবার সেই মাছগুলির আকারই অপেক্ষাকৃত ছোট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











