বিশ্ব জুড়ে প্রবল গরমের মধ্যেই তৈরি হল এল নিনো, এবার কি হতে চলেছে
একেই প্রবল গরমে নাজেহাল বিশ্ববাসী। তারমধ্যে আবার দোসর হচ্ছে এল নিনো। কারণ এল নিনো তৈরি হয়ে গেছে। এবার তার প্রকোপের পালা।
এল নিনো যে জুন মাস থেকে তার প্রভাব বিস্তার করবে তা আগেই জানা গিয়েছিল। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের উপরিভাগের উত্তাপ বৃদ্ধি হয়েই চলেছিল। এবার সেখানে এল নিনো তৈরি হয়ে গেল। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের উত্তাপ বৃদ্ধি কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনা। তা প্রভাব ফেলে পৃথিবীর জলভাগ এবং আবহাওয়ার ওপর।
এল নিনো মানে উত্তাপ বৃদ্ধি। বিশ্ব জুড়ে এমনিতেই গরম বাড়ছে। গ্রীষ্মের গরমেই নাজেহাল মানুষজন। ভারতেও তাপপ্রবাহে হিমসিম খেতে হয়েছে সিংহভাগ মানুষকে। ইউরোপেও তাপমাত্রা মাত্রা ছাড়িয়েছে। তার মধ্যে আবার দোসর হচ্ছে এল নিনো। এল নিনোর প্রভাব এবার ক্রমশ বাড়বে। যা বিশ্ব জুড়ে পারদ আরও চড়াবে।
এল নিনো ভারতের বর্ষায় যে প্রভাব ফেলবে তা আগেই জানিয়েছিলেন আবহবিদেরা। বর্ষায় বৃষ্টির ঘাটতি হতে চলেছে এবার। সেটাই পূর্বাভাস। এমনিতেই বর্ষা এবার ঢুকতে দেরী করেছে।
এদিকে এবার যে এল নিনো তৈরি হয়েছে তার ক্ষমতা এতটাই যে পূর্বের যাবতীয় গরমের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে এই এল নিনো। এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব ২০২৪ সালে এক ভয়ংকর গরম দেখেছে। সেই রেকর্ডও ২০২৭ সালে গুঁড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেক আবহবিদ। এবার এল নিনো-র প্রভাব এমনই ভয়ংকর হতে পারে।
ভারতে বর্ষার ওপর এর প্রভাব বেশি করে দেখা যেতে পারে অগস্ট, সেপ্টেম্বরে বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা। ক্রমশ তার দাপট বাড়াবে এল নিনো। এটা একটা প্রাকৃতিক বিষয়। এল নিনো আগেও তৈরি হয়েছে। কিন্তু এবার এল নিনো নিয়ে চিন্তায় গোটা বিশ্ব। এল নিনো যে কেবল গরমই বাড়াবে তাই নয়, তা কোথাও অতি বৃষ্টি, তো কোথাও অনাবৃষ্টির কারণ হবে। যা প্রকৃতিতে ভারসাম্যের অভাব তৈরি করতে পারে।










