গভীর জঙ্গলে মায়া সভ্যতার নষ্ট না হওয়া শহরের খোঁজ, অবিশ্বাস্য বলছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা
এক অতি ঘন জঙ্গলের মধ্যে যে হাজার বছরের বেশি পুরনো একটা শহর সম্পূর্ণ থাকতে পারে তা বিশ্বাস হচ্ছেনা প্রত্নতাত্ত্বিকদেরও। বিরল আবিষ্কার বলে মনে করছেন তাঁরা।
মায়া সভ্যতা নিয়ে মানুষের মনে একটা বাড়তি কৌতূহল সবসময় নজর কেড়েছে। মায়া সভ্যতার আধুনিক ব্যবস্থাপনা চিরকাল প্রত্নতাত্ত্বিকদেরও আকর্ষিত করেছে।
পিরামিডের মত মন্দির, চান্দ্র ক্যালেন্ডারের জন্য বিখ্যাত মায়া সভ্যতা যেমন বহুকাল ধরে চলেছিল, তেমনই তাদের অতি ঘন জঙ্গলের মাঝে শহর বানানোর পরিকল্পনা চিরকাল অবাক করেছে। এটা ছিল তাদের শহর সুরক্ষিত রাখার এক কৌশল। অ্যাজটেকদের থেকে নিজেদের বাঁচাতেও এই কৌশল অবলম্বন করতেন মায়া সভ্যতার বাসিন্দারা।
সেই মায়া সভ্যতার নিদর্শন আগেও পাওয়া গেছে। কিন্তু এবার মেক্সিকোর ক্যাম্পেচে-র কালাকমুল-এ অতি ঘন জঙ্গলের মাঝে মায়া সভ্যতার এক আস্ত শহরের খোঁজ পেলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।
জঙ্গলে যেখানে শহরটি পাওয়া গেছে সেখানে পৌঁছনোই একটা বড় সাফল্য। জঙ্গলের মাঝে অনেক লড়াই করে রাস্তা তৈরি করে দুর্গম পাহাড়ি পথ পার করে এই জায়গায় পৌঁছনোটাই প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ ছিল।
আজকের আধুনিক যুগেও এই জঙ্গলের ওই জায়গা পর্যন্ত পৌঁছতে হিমসিম খেয়ে যান প্রত্নতাত্ত্বিকরা। তবে সেখানে পৌঁছে যা দেখেন তা তাঁদের হতবাক করে দিয়েছে।
কোনও পথহীন এই জঙ্গলের মাঝে যে এমন এক শহর গড়ে উঠতে পারে তা তাঁদের কাছে অবাক করা। এই প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিকরা এমন এক মায়া সভ্যতার শহরের খোঁজ পেলেন যা হাজার বছরের পুরনো হওয়া সত্ত্বেও এতটুকু নষ্ট হয়নি।
একটি পিরামিডের মত দেখতে মন্দির, অনেক বাড়িঘর, বাজার এবং জল সরবরাহের ব্যবস্থা একেবারে পূর্ণ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। যা মায়া সভ্যতা সম্বন্ধে আরও জানতে প্রত্নতাত্ত্বিকদের সাহায্য করবে। বিশ্বের নানা প্রান্তের সংবাদমাধ্যমে মেক্সিকোর জঙ্গলে পাওয়া এই মায়া সভ্যতার কাহিনি প্রকাশিত হয়েছে।












