হারিয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিমশৈল, মাত্র ৪০ বছরে প্রায় সব শেষ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসবার্গ বা হিমশৈল। এমনই এক হিমশৈলের ধাক্কায় ডুবেছিল টাইটানিক। এমন এক হিমশৈল হারিয়ে গেল মাত্র ৪০ বছরে।
যখন এটি কুমেরুর একটি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তখন তার আকার চমকে দেওয়ার মত ছিল। তাকে বলা হত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসবার্গ। যে বিশাল বরফখণ্ড জলের ওপর ভেসে বেড়াত। স্রোতের সঙ্গে এগিয়ে যেত।
ইন্দোনেশিয়ার বালির থেকেও বড় ছিল চেহারায়। এমন এক দানবীয় হিমশৈল যে মাত্র ৪০ বছরেই প্রায় উধাও হয়ে যেতে পারে তা বিজ্ঞানীদের নজর কেড়ে নিয়েছে।
১৯৮৬ সালে অ্যান্টার্কটিকা থেকে ভেঙে জলে ভাসতে শুরু করে এই বরফের খণ্ড। যার নাম দেওয়া হয় এ২৩এ। ২ হাজার বর্গমাইল জুড়ে থাকা একটা আইসবার্গ।
যার আকার ভাবনার বাইরে ছিল। সেটি তখন ভেসে বেড়াত কুমেরুর আশপাশে এবং দক্ষিণ মহাসাগরে। যা একসময় ওয়েডেল সাগরে এসে আটকে যায়। আটকে যায় সাগরের তলদেশে।
এরপর কেটে যায় একাধিক দশক। আইসবার্গ সেখান থেকে নড়েনি। কিন্তু ২০২০ সালে আইসবার্গটি ফের নড়াচড়া শুরু করে। যা দেখে আপ্লুত হয়ে যান বিজ্ঞানীরাও। একটি হিমশৈল এত বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকার পর তার স্বাভাবিক স্বভাবে ভেসে যাচ্ছে এটা বেশ নজর কাড়ে।
২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে ক্রমে বিশ্বের এই সর্ববৃহৎ আইসবার্গটি গরম জলের সংস্পর্শে এসে গলে যেতে শুরু করে। দ্রুত গলতে থাকে তার জমাট বরফ। কয়েক মাসের মধ্যে আইসবার্গটি গলে এতটাই ছোট হয়ে যায় যে তা ১২০০ বর্গমাইলের হয়ে যায়। তারপর তার গলতে থাকা কমেনি।











