বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি প্রকৃতির খেয়ালে হয়ে উঠল ছবির মত সুন্দর
ছবির মত সুন্দর বলতে যা বোঝায় ঠিক তাই। একেবারে যেন রঙের পরশে আঁকা ছবি। বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমিকে এখন চেনাই যাচ্ছেনা।
বিশ্বের ২ মেরু অঞ্চল হল বরফের মরু অঞ্চল। তবে বালির মরু অঞ্চল বলতে যেসব মরুভূমি বোঝায় তার তালিকায় সাহারা থেকে আতাকামা যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে ভারতের থর।
এসব শুকনো বালির ধুধু প্রান্তর আর অসহ্য গরমে একাকী মাইলের পর মাইল বিস্তৃত ভূভাগে মানুষ তো নয়ই, এমনকি অন্য প্রাণির দেখাও খুব একটা পাওয়া যায়না। এদের মধ্যে আবার বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি বলা হয় চিলির আতাকামা মরুভূমিকে।
১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই পাণ্ডববর্জিত বালির প্রান্তর দেখে যে কারও মনে হতে পারে এখানে বেশি সময় কাটালে প্রাণবায়ু আর দেহে বাস করবেনা।
এমন এক স্থানকে যখনই দেখা যায় তখনই জনপ্রাণহীন দিগন্ত ছোঁয়া প্রান্তর ছাড়া আর কিছুই নজরে পড়েনা। সেই আতাকামা মরুভূমি আমূল বদলে গেল প্রকৃতির তুলির টানে।
আতাকামা মরুভূমি অনেক বছরের ব্যবধানে একবার তার রূপ বদলায়। মরু প্রান্তর সেজে ওঠে নানা ফুলের সাজে। এ সময় প্রায় ২০০ রকম ফুল ফোটে এই প্রান্তরে। হারিয়ে যায় বালি। কার্পেটের মত বহুদূর পর্যন্ত বিছিয়ে থাকে রঙিন ফুলের বাহার।
এ সময় আতাকামাকে বলা হয় আতাকামা ব্লুমিং ডেসার্ট। এবার এল নিনো-র প্রভাবে আতাকামা মরুভূমিতে গত অগাস্ট মাসে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পরিমিত ঠান্ডাও পেয়েছে এই মরুভূমি।
এই দুয়ের প্রভাবে আতাকামার মাটিতে ঘুমিয়ে থাকা ফুলের বীজেরা এবার জেগে উঠেছে। যা ফুলে ফুলে ভরে দিয়েছে বিশ্বের শুষ্কতম মরুভূমিকে। যা দেখতে অনেক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এখানে।











