চাঁদের গায়ে অতিকায় সবে তৈরি গর্তের খোঁজ, ১০০ বছরে ১টা হয়, বলছেন বিজ্ঞানীরা
১০০ বছরে এমন গর্ত চাঁদের গায়ে খুব বেশি হলে ১টা হয়। অনেক সময় তার চেয়েও বেশি সময় লাগে। তেমনই এক গর্ত সবে তৈরি হয়েছে চাঁদের গায়ে।
চাঁদকে খুব কাছ থেকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে নাসার যান। ছবি সহ নানা তথ্য পাঠাচ্ছে। যা চাঁদকে আরও ভাল করে চিনতে সাহায্য করছে বিজ্ঞানীদের। সেই যানের পাঠানো ছবি নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে এক বিজ্ঞানীর একটা খটকা লাগে।
রবার্ট ওয়াগনর নামে নাসার ওই বিজ্ঞানী সব কাজ ফেলে চাঁদের ওই অংশের ছবি আরও ভাল করে পরীক্ষা শুরু করেন। ছবিটি যাতে আরও পরিস্কার ভাবে দেখা যায় সেজন্য এক বিশেষজ্ঞের সাহায্যও নেন তিনি। আর এসব করার পর তিনি যা দেখলেন তা দেখে রবার্ট নিজেই হতবাক হয়ে গেছেন।
চাঁদের গায়ে ওই অংশে এমন গর্ত সবে তৈরি হয়েছে। আগে ছিলনা। গর্তটি এতটাই বড় এবং গভীর যে চাঁদের গায়ে এমন গর্ত ১০০ বছরেও ১টা তৈরি হয় কিনা সন্দেহ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
গর্তটি ২টি ফুটবল মাঠের সমান। গভীরতা ১৪১ ফুট। এত বিশাল এবং এত গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে ২০২৪ সালের এপ্রিল বা মে মাসের কোনও এক সময়ে। কারণ তার আগে ওই জায়গায় কোনও গর্ত ছিলনা।
একটি ৬ তলা বাড়ির সমান কোনও গ্রহাণু বা উল্কা এসে আছড়ে পড়ায় এমন এক বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে চাঁদের গায়ে, এমনই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে এমন বিশাল আকারের উল্কা বা গ্রহাণু চাঁদের মাটিতে ১০০ বছরে হয়তো খুব বেশি হলে ১টা এসে পড়ে। নাসা বিষয়টি তুলে ধরে চাঁদ সম্বন্ধে নতুন তথ্যের সন্ধান দিল।











