মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল বড় আকারের হিরে, রাতারাতি মহিলার জীবন বদলে দিল পান্না
মাটি খুঁড়ে বড় আকারের হিরের খোঁজ পেলেন এক মহিলা। যা তাঁর জীবন বদলে দিল। হিরে পাওয়ার পর তাঁর সাফল্যে গোটা গ্রাম মেতে ওঠে।
পান্নায় হিরের খোঁজ। আর সেটাই কার্যত রাতারাতি বদলে দিল এক মহিলার জীবন। ওই মহিলা গত মার্চ মাস থেকেই মাটি খুঁড়ছিলেন এই আশায় যে যদি মাটির তলায় দামি পাথরের সন্ধান পান।
কারণ পান্নার মাটির তলায় যে কত হিরে লুকিয়ে আছে তা কারও জানা নেই। অবশেষে তাঁর সেই মাটি খোঁড়া কাজে এল। তাঁর পরিশ্রম কাজে এল। মাটির তলা থেকে তাঁর হাতে উঠে এল ৬.৫৪ ক্যারেটের এক অতি উন্নতমানের হিরের টুকরো।
মধ্যপ্রদেশের পান্নাকে বলা হয় সিটি অফ ডায়মন্ড বা হিরের শহর। মীনা সিং নামে এক মহিলা নিয়ম মেনে পান্নার জারুয়াপুর গ্রামের একটি ৮ বাই ৮ মিটার জমি সরকারের কাছ থেকে লিজ নেন। সেখানকার মাটি খুঁড়ে দামি পাথরের সন্ধান করতেই এই লিজ নেওয়া।
মীনা সিং ওই মাটি লিজ নেওয়ার পর তা খুঁড়তে শুরু করেন। অবশেষে এই জুন মাসে এসে তাঁর পরিশ্রম সার্থক হয়। তিনি হিরে পেয়েছেন এ খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। গোটা গ্রাম মীনা দেবীর এই হিরের খোঁজে আপ্লুত হয়ে যায়। গ্রাম জুড়ে উৎসব শুরু হয়ে যায়।
মাটি খুঁড়ে মীনা দেবী যে হিরের সন্ধান পান তার দাম আপাতত ধার্য হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা। তিনি সেটি পাওয়ার পর নিয়ম মেনে সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এই হিরে নিলাম হবে। সেখান থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে তা সরকারি নিয়ম মেনে ভাগাভাগি হবে। যার একটি অংশ পাবেন মীনা দেবী। আধিকারিকদের মতে, হিরেটির যা দাম ধার্য হয়েছে সেই দাম বা তার চেয়ে বেশি দামে যদি হিরেটি বিক্রি হয় তার যে অংশ মীনা দেবী পাবেন তা তাঁর এবং তাঁর পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











