একাধিক দশক ধরে পচা সসের দুর্গন্ধ সহ্য করতে হয়েছে শহরবাসীকে, অবশেষে রেহাই
প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থা। সকাল থেকে রাত পচা সসের দুর্গন্ধে কাটিয়ে যেতে হয়েছে একটি শহরের মানুষকে। অবশেষে মিলল রেহাই। তাও কয়েক দশক পর।
২০০০ সালের শুরুর দিকে একটি সস তৈরির কারখানায় তালা পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যাবতীয় কাজকর্ম। সসটি আবার ছিল ফিশ সস। টাটকা হলে সুস্বাদু এই সস যদি দিনের পর দিন পড়ে থাকে তাহলে তা পচে যায়। সেটাই হয়েছিল এক্ষেত্রে। ফিশ সস পচতে শুরু করে কারখানায়।
এদিকে ওই উৎপাদন হয়ে গিয়েছিল যখন কারখানায় কাজ বন্ধ হয়। ওই সস কে সরাবে তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। ফলে সস পচতেই থাকে। আর কে সরাবে তা নিয়ে আইনি লড়াই চলতে থাকে।
এতে সবচেয়ে বেশি প্রাণান্তকর হাল হয় শহরের একটা বড় অংশের মানুষের। কারণ যে সস পচছিল তার পরিমাণ বিপুল। যা কানাডার সেন্ট মেরিজ শহরে থাকা একটি সস তৈরির কারখানায় বছরের পর বছর ধরে পচছিল।
অ্যাটলান্টিক সি ফুড সস কোম্পানি-র ওই সস তৈরির করাখানা বন্ধ থাকলেও সেখানে মজুত ছিল ১১০টি ফিশ সসের ট্যাঙ্ক। প্রতিটি ট্যাঙ্কে ছিল ৩ হাজার গ্যালন করে সস। এখানে বলে রাখা ভাল ১ গ্যালন মানে লিটারে তা ৩.৭ লিটার।
ফলে এক একটা ট্যাঙ্কে যে কতটা করে সস পচছিল তা অনুমেয়। এমন আবার ১১০টি ট্যাঙ্কে একই পরিমাণ সস পচছিল। ফলে তার দুর্গন্ধ শহর জুড়ে ছড়ানো অস্বাভাবিক নয়। আর সেই অসহ্য গন্ধ ১ দিন ২ দিন নয়, বছরের পর বছর ধরে সহ্য করতে হয়েছে শহরবাসীকে।
অবশেষে তা সরানোর ব্যবস্থা হয়েছে। কাজও শুরু হয়েছে। বিশেষ পদ্ধতি মেনে সস সরানো এবং নষ্ট করার কাজ চলছে। এটাও মাথায় রাখা হচ্ছে যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায়। যা পচা সস রয়েছে তা পুরো সরিয়ে নষ্ট করে ফেলতে অক্টোবর পার হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।












