বিবাহবার্ষিকীতে নিমন্ত্রণ করা সত্ত্বেও যাঁরা আসেননি তাঁদের আর্থিক জরিমানা করলেন গৃহকর্তা
বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে বন্ধুবান্ধব থেকে আত্মীয় পরিজনদের নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি। যাঁরা সেই নিমন্ত্রণে যাননি তাঁদের আর্থিক জরিমানা করলেন গৃহকর্তা।
কেউ নিমন্ত্রণ করলে নিমন্ত্রণ রক্ষা করাই রীতি। তবে যেদিন নিমন্ত্রণ করা হয়েছে সেদিন কেউ যদি কোনও কারণে আটকে যান তাহলে নিমন্ত্রণ রক্ষা করা সম্ভব হয়না। এমনটা হয়েই থাকে। কিন্তু তার জন্য যে জরিমানা হতে পারে তা বোধহয় কারও মাথায় আসেনি। কারণ এমন বিধানই বিরল।
কিন্তু এমনটাই ঘটেছে চুঁচুড়ায়। হুগলি জেলার এই বর্ধিষ্ণু শহরের পুরসভার জলকল বিভাগের কর্মী সুখেন ঘোষ বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে অনেককে নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ২৯ জুলাই ছিল অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন উপস্থিত থাকতে পারেননি। এবার তাঁদের পড়তে হল সুখেন ঘোষের করা জরিমানার মুখে।
ওই ব্যক্তি চুঁচুড়ায় পোস্টার সাঁটিয়ে জানিয়েছেন ওইদিন অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা সত্ত্বেও যাঁরা উপস্থিত ছিলেননা তাঁরা তাঁকে কষ্ট দিয়েছেন। তাঁদের জন্য আয়োজন করা খাবারও নষ্ট হয়েছে। তাই এবার তাঁদের জরিমানা দিতে হবে।
৫০০ টাকা করে পরিবার পিছু জরিমানা ধার্য করেছেন ওই ব্যক্তি। জরিমানার টাকার সঙ্গে যাঁরা অনুষ্ঠানে আসেননি তাঁদের দম্পতিকে বাড়ি গিয়ে আশির্বাদও করে আসতে হবে।
নিমন্ত্রণে যেতে না পারায় যে এমন জরিমানার মুখে পড়তে হবে এটা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি কেউ। ফলে পুরসভার কর্মী আধিকারিক যাঁরা যেতে পারেননি বা অন্য যাঁরা ওইদিনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন, তাঁরা এখন জরিমানা গুনতে হবে বলে চিন্তায় পড়েছেন।
যাঁরা সাধারণ চুঁচুড়াবাসী এবং নিমন্ত্রিতও ছিলেননা, তাঁরাও এই পোস্টার পড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠেছেন। চুঁচুড়া শহরে এখন অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে না পারায় এই জরিমানার পোস্টার।












