২৫ বছর একসঙ্গে কাটানোর পর সন্তানদের চাপে বিয়ের পিঁড়িতে ৬০ বছরের বর ও ৫৮-র কনে
বিয়ে করেননি। ভালবাসার টানে তাঁরা একসঙ্গে থেকেছেন ২৫ বছর। ৪ সন্তানের জন্মও দিয়েছেন। সেই সন্তানেরাই এবার বিয়ে দিলেন তাঁদের পিতা মাতার।
পরস্পরের প্রতি ভালবাসার টান ছিল। প্রেমে পাগল ছিলেন। ছিলনা অর্থের জোর। বিয়ে করার মত আর্থিক সামর্থ্য ছিলনা তাঁদের। তাই রীতি প্রথা সামাজিক নিয়ম মেনে তাঁরা বিয়ে করতে পারেননি। ফলে বিবাহিত দম্পতির তকমাও মেলেনি। কিন্তু একসঙ্গে যাতে থাকতে পারেন সেজন্য নাতরা প্রথা নামে একটি আদিবাসী প্রথা মেনে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তাঁরা।
এভাবেই তাঁরা একসঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন ২৫টা বছর। এই সময় তাঁরা সংসারও করেছেন। ৪ সন্তানের জন্মও দিয়েছেন। কিন্তু সমাজে তাঁরা বিবাহিত নারী পুরুষের তকমাটা পাননি। সেটাই তাঁদের ৪ ছেলের ভাল লাগেনি। তাঁরা স্থির করেন বাবা মাকে সামাজিক রীতি মেনে বিয়ে দেবেন। যাতে তাঁরা সমাজে দম্পতি হিসাবে স্বীকৃতি পান।
রাজস্থানের বাঁশওয়াড়া জেলার সালিয়া গ্রামে ২৫ বছর একসঙ্গে কাটানোর পর এবার ছেলেদের চাপে তাই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ৬০ বছরের রতনা ও ৫৮ বছরের কড়বি দেবী।
বিয়ের আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখেননি তাঁদের ৪ ছেলে। গায়ে হলুদ দিয়ে শুরু করে মঙ্গল গীত সহ যাবতীয় বিয়ের নিয়মকানুন খুঁটিয়ে পালন করে তাঁদের বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন অনেক অতিথি।
২৫ বছর একসঙ্গে থাকার পাশাপাশি সংসার চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, সন্তানদের প্রতিপালন, সবই যথাসম্ভব করেছেন ২ জনে। এখন তাঁদের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে।
এবার তাই তাঁদের সামাজিকভাবে দম্পতির স্বীকৃতি দিতে এই আয়োজন করলেন তাঁদের ৪ ছেলে। এই বিয়ের ঘটনা রীতিমত চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে ওই অঞ্চলে।











