মহাদেবের প্রতি গভীর ভক্তি, পর্বতারোহীর দেহ এভারেস্টেই রেখে দিতে বলল পরিবার
তিনি যখন এভারেস্ট থেকে নেমে আসছিলেন তখন ঠিক এভারেস্টের চুড়োর নিচেই তাঁর জীবন যায়। মহাদেবের প্রতি ভক্তি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করতে চায়নি পরিবার।
বিশ্বের বেশ কয়েকটি সুউচ্চ এবং বিখ্যাত পর্বত তিনি জয় করেছেন। চেয়েছিলেন এভারেস্ট জয় করে স্বপ্ন পূরণ করতে। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের ইচ্ছা অন্য পর্বতারোহীদের সঙ্গে তাঁরও ছিল।
২০২৫ সালে একবার চেষ্টাও করেছিলেন। কিছুটা উঠে তারপর শারীরিক কারণে নেমে আসেন। তবে মনের মধ্যে ইচ্ছেটা থেকেই গিয়েছিল। তাই ২০২৬ সালে ফের এভারেস্টে চড়া।
এভারেস্টের চুড়ো ছুঁয়ে যখন নেমে আসছিলেন তখন চুড়োর ঠিক নিচেই হিলারি স্টেপে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এভারেস্টের ওই উচ্চতায় অক্সিজেন কম। তার ওপর অতি দুর্গম।
একজন নিজেকে সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনতেই প্রবল সতর্কতা অবলম্বন করেন। তাই ওই জায়গা থেকে কাউকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন কাজ।
হায়দরাবাদের বাসিন্দা অরুণ কুমার তিওয়ারির দেহ তাই সেখান থেকে উদ্ধার করা এবং নামিয়ে আনা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে তাঁর পরিবার চাইলে সে চেষ্টা হত। কিন্তু তাঁর পরিবার তা চায়নি।
আপনজনের জীবনাবসানে শোকসন্তপ্ত পরিবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে অরুণ তিওয়ারির দেহ যেমন এভারেস্টে রয়েছে, তেমনই থাকতে দেওয়া হোক। এভারেস্টকে অনেকেই মহাদেবের আলয় বা শিবের বাড়ি বলে মনে করেন। তাই তাঁরা মনে করেন হিমালয়কে ভালবাসা বছর ৫৩-র অরুণ তিওয়ারির দেহ ভগবান মহাদেবের কাছেই থাক।
এই গভীর শিবভক্তি ও বিশ্বাস থেকে তাঁরা জানিয়ে দেন অরুণ তিওয়ারির দেহ এভারেস্টে যেমন রয়েছে তেমন থাক। তাঁরা দেহ উদ্ধার চাইছেন না। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











