National

হবু স্ত্রীকে চুমু খাওয়ায় বরের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন, এল পুলিশ

কয়েকদিন আগেই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বিয়ে চলাকালীন কনেকে চুমু খান বর। এবার সেই একই পথে হেঁটে মুশকিলে পড়ে গেলেন বর।

হবু স্ত্রীকে চুমু খেয়েছিলেন। তাও আবার ৩০০ জনের সামনে। স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা প্রদর্শনের এই চিহ্ন আঁকতে গিয়ে কিন্তু বিপদে পড়ে গেলেন বর।

কয়েকদিন আগেই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বিয়ে করতে বসে পুরোহিত থেকে শুরু করে ২ পরিবারের সকলের সামনে হবু স্ত্রীকে আচমকা চুমু খান বর। যা নিয়ে হাসিঠাট্টা হলেও বরের এই কাণ্ডকে লজ্জারাঙা মুখে সমর্থনই করেছিলেন ওই তরুণী। এক্ষেত্রে কিন্তু সেটা হল না।

গত মঙ্গলবার বিয়ে শুরু হয়েছিল। মালাবদল পর্ব শেষ হয়েছিল সবে। বর ও কনে পক্ষের প্রায় ৩০০ অতিথি ভিড় করে মালাবদল দেখছিলেন। সেই সময় সকলকে অবাক করে বর তাঁর হবু স্ত্রীকে চুমু খান। আর তাতেই বেজায় চটে যান কনে।

২৩ বছরের ওই তরুণী বরের এই কাণ্ডের পরেই বিয়ের মণ্ডপ থেকে চলে যান। তারপর পুলিশ ডাকেন। পুলিশের কাছে ওই তরুণী অভিযোগ করেন যে তাঁর হবু বর বন্ধুদের সঙ্গে শর্ত রেখে তাঁকে মালাবদলের পর চুমু খেয়েছেন। তাই তাঁর হবু বরের চরিত্র নিয়ে তাঁর মনে প্রশ্ন জেগেছে।

পুলিশ ২ জনকেই থানায় নিয়ে যায়। সেখানে বোঝানোর চেষ্টা করে ২ জনকে। যদিও কনে সাফ জানিয়ে দেন চুমু খাওয়ার আগেও বিয়ে চলাকালীন তাঁকে খারাপ ভাবে স্পর্শ করেছেন তাঁর বর। তাই তিনি কিছুতেই বিয়ে করবেন না।

পুলিশ আপাতত কয়েকদিন সময় দিতে চেয়েছেন ওই তরুণীকে। যাতে বিষয়টি থিতু হতে পারে। তা না হলে পুলিশ ভেবে দেখবে কি করা যায়। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button