National

নকল ঘি খাওয়াচ্ছে পতঞ্জলি, গেরুয়া তোপের মুখে রামদেব

কয়েকদিন আগেই নারীদের পোশাক না পরেও সুন্দর লাগে বলে বিপাকে পড়া যোগগুরু রামদেবের সংস্থা নকল ঘি বিক্রি করে বলে তোপের মুখে পড়েছে।

যোগগুরু রামদেবের সংস্থা বলে পরিচিত পতঞ্জলি নকল ঘি বিক্রি করে। পতঞ্জলির নামে সকলকে নকল ঘি খাওয়াচ্ছেন যোগগুরু। এমন দাবি করে সোচ্চার হলেন বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ সরণ সিং।

কাইজারগঞ্জের সাংসদ কোনও রাখঢাক না করে রামদেবের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর আরও দাবি, শুধু নকল ঘি খাওয়ানোই নয়, যোগগুরু রামদেব যে যোগসাধনা শেখান সেখানেও ভুল রয়েছে।

রামদেব বিভিন্ন জায়গায় যে কপলভাতি শিখিয়ে বেড়াচ্ছেন তা ভুল। কপলভাতির সঠিক পদ্ধতি নয়। কপলভাতি ভুল শেখায় অনেকে সমস্যাতেও পড়ে যাচ্ছেন।

যদিও তাঁর সংস্থার বিরুদ্ধে নকল ঘি বেচার অভিযোগ মানতে রাজি নন রামদেব। তিনি পাল্টা বিজেপি সাংসদকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন। নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে রামদেব জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদকে।

যদিও সাংসদ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি তাঁর বক্তব্যে অনড় থাকবেন। তিনি যা বলেছেন তার জন্য কখনও তিনি ক্ষমা চাইবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ব্রিজভূষণ সরণ সিং।

বরং ব্রিজভূষণ পাল্টা দাবি করেছেন, এবার তিনি সাধুসন্তদের একটি বৈঠক ডাকবেন। তাঁদের এভাবে মহর্ষি পতঞ্জলির নাম ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে বলবেন।

বিষয়টি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ব্রিজভূষণ যখন নকল ঘি বেচার অভিযোগ আনছেন তখন পাল্টা রামদেব নকল ঘি বেচেন না বলে দাবি করেছেন।

তবে বারবার যোগগুরু রামদেব কিন্তু হালফিল বিতর্কে জড়িয়েই চলেছেন। মহিলাদের পোশাক ছাড়াও সুন্দর লাগে বলে মহিলাদের এক জমায়েতে বক্তব্য রেখে পরে তাঁকে সেজন্য ক্ষমাও চাইতে হয়েছে। রামদেবের মহিলাদের নিয়ে বক্তব্য বহু মানুষকেই ক্ষুব্ধ করেছিল। ক্ষুব্ধ হন মহিলারাও। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button