এক শুকিয়ে যাওয়া নদীই এখন স্থানীয় কৃষকদের বড় ভরসা, খরা হারাতে পারেনি তাঁদের
নদীর জল অনেকটাই শুকিয়ে গিয়েছে। যে নদীর জল ভরসা হওয়ার কথা সেই নদী এখন জলহীন হয়ে কৃষকদের অন্য ভরসা যোগাচ্ছে।
নদী শুকিয়ে যাওয়া কখনওই সদর্থক ইঙ্গিত বহন করতে পারেনা। বরং তা স্থানীয় মানুষের চিন্তার কারণ হয়। নদীর জলকে ভরসা করেই গড়ে ওঠে মানুষের বসতি থেকে জীবন জীবিকা।
কিন্তু গোটা এলাকা যখন খরার কবলে পড়ে তখন প্রায় শুকিয়ে যাওয়া একটা নদী কীভাবে যে জিয়নকাঠি হয়ে উঠতে পারে তা দেখতে পৌঁছে যেতে হবে বান্দা-র কেন নদীর তটে।
নদী প্রায় শুকিয়ে গিয়েছে। অসহ্য গরমে ফুটিফাটা কৃষকদের আদি অনন্ত জমি। খরার কবলে বুন্দেলখন্দ। বান্দা জেলা গরমে শুকিয়ে গিয়েছে। কেন নদীর জল উবে গিয়ে নদীর তলার মাটি এখন মাঠের মত সামনে উঠে এসেছে।
জল শুকিয়ে সে মাটি এখন দেখা গেলেও সেই পলিমাটির উর্বরতা তো নষ্ট হয়নি। তাই স্থানীয় কৃষকরা এখন তাঁদের চিরাচরিত জমি ছেড়ে বেছে নিয়েছেন কেন নদীর এই তলদেশের জমিকে।
জল শুকিয়ে বেরিয়ে আসা সেই নদী তলদেশের জমিতেই এখন ফসল ফলানো শুরু করেছেন তাঁরা। ফলনও ভাল হচ্ছে। মাটির উর্বরতা ফসল ফলাতে প্রভূত সাহায্য করছে। সেই সঙ্গে নদীর যেটুকু জল রয়ে গেছে সেটাও কাছেই পাওয়া যাচ্ছে। যা এই নতুন চাষাবাদে জলের প্রয়োজন অনেকটাই মিটিয়ে দিচ্ছে।
কেন নদীর জল আবার ফিরলে এই বেরিয়ে আসা তলদেশ হয়তো আগামী দিনে ফের জলের তলায় চলে যাবে। তবে তার আগে যতদিন তা কৃষকদের জীবন জীবিকার সাথী হচ্ছে সেটাই বা কম কি। খরা বিধ্বস্ত বান্দার কিছু কৃষক তো এ অবস্থাতেও ফসল ফলানোর সুবিধাটা পেলেন।













