মানুষ নয়, এখানে নদীর ওপর সেতু তৈরি করেছে প্রকৃতি, বিষয়টি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
নদী পারাপারের জন্য সেতু আবশ্যিক। কিন্তু সে সেতু যদি মানুষ না তৈরি করে প্রকৃতি তৈরি করে দেয়। সেটাই হয়েছে ভারতের এক প্রান্তে। একাধিক এমন সেতু এক বিস্ময়।
জলপথে নদী পার করে গেলে নৌকা লাগে। আর হেঁটে পার করতে গেলে সেতু। পৃথিবীর সর্বত্রই মানুষ নদীর ওপর সেতু তৈরি করেছে যাতায়াতের সুবিধার জন্য। কিন্তু যখন নদী পারাপারের জন্য হাত বাড়ায় প্রকৃতি। যখন প্রকৃতি নিজের মত করে তৈরি করে দেয় সেতু।
যখন দোতলা সেতু তৈরি করে দেয় রবার গাছের শিকড়, তখন হতবাক হওয়া ছাড়া উপায় নেই। নিজের চোখকেও যেন বিশ্বাস করতে মন চায়না। এমন সুন্দর শিল্পে নদীর ওপর শক্তপোক্ত সেতু তৈরি হচ্ছে শিকড় দিয়ে। যা কেউ তৈরি করছেনা। গাছ নিজেই তা তৈরি করে দিচ্ছে।
মেঘালয়ের এই লিভিং রুট ব্রিজ বা শিকড়ের সেতু-র কথা এদিন উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে মেঘালয়ের এই আশ্চর্য প্রকৃতির দান নিয়ে আপ্লুত ছিলেন তিনিও।
সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন প্রকৃতির তৈরি করে দেওয়া এই সেতুগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় মানুষদের অবদানের কথা। স্থানীয়রাই এই সেতুগুলি বছরের পর বছর ধরে রক্ষা করছেন। একে মজবুত রাখতে আশপাশে প্রয়োজনীয় সবুজের আস্তরণকে তাঁরা বাঁচিয়ে রেখেছেন।
পরিবেশ বদল, উষ্ণায়নের প্রভাব থেকে এই শিকড়ের সেতুগুলিকে তাঁরা রক্ষা করে চলেছেন। প্রাত্যহিক দেখভাল করছেন। যার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
সেই সঙ্গে জানান, মেঘালয়ের এই লিভিং রুট ব্রিজগুলিকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট নেটওয়ার্কের তালিকায় যুক্ত করার জন্য ভারত ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছে। প্রসঙ্গত মেঘালয়ের এই লিভিং রুট ব্রিজ দেখতে প্রতিবছর বহু দেশি বিদেশি পর্যটক হাজির হন এখানে।













