National

অভিনব উপায় বার করে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ডেঙ্গির হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা

অভিনব উপায় বার করে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে থাকাকালীন ডেঙ্গির হাত থেকে রক্ষা করার ব্যবস্থা নজর কাড়ল। স্কুলে মশার হাত থেকে রক্ষা পেতে কার্যকরী এই উপায়।

ডেঙ্গি এখন পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের অনেক রাজ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। অনেক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। বাদ যাচ্ছে না ছোটরাও।

তা বলে ডেঙ্গির আতঙ্কে তো স্কুল ছেড়ে বাড়িতে বসে থাকা যায়না। স্কুলে তো যেতেই হচ্ছে। সেখানে মশাও থাকছে। মশা কামড়েও দিচ্ছে। কাকে ডেঙ্গির মশা কামড় বসাল তা তো বোঝা যাচ্ছে না। ফলে মশার কামড় থেকে বাঁচা এখন জরুরি।

স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের যাতে স্কুলে থাকাকালীন মশার হাত থেকে দূরে রাখা যায় এজন্য এক অভিনব পন্থা দেখতে পাওয়া গেল উত্তর ভারতের একটি রাজ্যে। যা দেশের সব প্রান্তের ছাত্রছাত্রীদের জন্যই উপকারি হতে পারে।

উত্তরপ্রদেশে ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়ার মত মশা বাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এসব রোগ থেকে ছাত্রছাত্রীদের রক্ষা করতে উত্তরপ্রদেশ সরকার এবার থেকে সব ছাত্রছাত্রীকে ফুলহাতা জামা এবং ফুলপ্যান্ট পড়ে স্কুলে আসার নির্দেশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্কুলগুলিকে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। যাতে স্কুলের তরফে ছাত্রছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া স্কুলগুলিতে কোথাও যেন জমা জল না থাকে তাও নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলের ট্যাঙ্ক নিয়মিত পরিস্কার করতে বলা হয়েছে।

সেইসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে ডেঙ্গি সহ এমন মশা বাহিত রোগগুলি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানিয়ে তা থেকে বাঁচার জন্য কি করা উচিত সে সম্বন্ধে সচেতনতা প্রসারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button