কলকাতায় সদর দফতর থাকা পূর্ব রেলের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক
লক্ষ্যমাত্রাকে পার করেও একটি ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে পূর্ব রেল। কলকাতায় সদর দফতর থাকা পূর্ব রেলের এ এক অন্যতম সাফল্য। যা ভারতীয় রেলের জন্যও গর্বের।
ভারতীয় রেলের নানা সাফল্যের তালিকায় এবার জায়গা করে নিল পূর্ব রেলের একটি সাফল্য। এমন সাফল্য যা লক্ষ্যমাত্রাকে পার করেও ২১ শতাংশ বেশি হয়ে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছে। আবার রেলের অর্থাগমের ক্ষেত্রেও এ এক অন্যতম সাফল্য।
পূর্ব রেলের আওতাধীন বিভিন্ন রেল ওয়ার্কশপ, ডিপো, শেড, ইয়ার্ড এবং অন্যান্য রেলের জায়গা ধরে চারপাশে অনেক এমন জিনিসপত্র পড়ে থাকে যা একসময় কাজে লাগলেও এখন তার প্রয়োজন নেই।
তারমধ্যে অনেক রেললাইন, অনেক লোহার জিনিসপত্র, লোহা নয় এমন অনেক জিনিস চারধারে ছড়িয়ে থাকে। যার আর রেলের প্রয়োজন নেই। কিন্তু তা রেলের জায়গা দখল করে আছে। এসব অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চিহ্নিত করা এবং তা এক জায়গায় জড়ো করার কাজ নেহাত সহজ নয়।
রেলের এসব তথাকথিত বর্জ্য বিক্রি করে দেয় রেল। যার আবার লক্ষ্যমাত্রাও থাকে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ৫ মাসে এই লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে পূর্ব রেল। এসব বিক্রি করে তারা ৫ মাসে ২৫১ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা কোষাগারে যুক্ত করেছে।
৫ মাসে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৭ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এইসব বর্জ্য বেচে রোজগার করার। তা পার করে গেছে পূর্ব রেল। যা অবশ্যই একটা সাফল্য হিসাবে দেখছে ভারতীয় রেল।
এতে ২টি প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছে। এক, এরফলে জিরো স্ক্র্যাপ ব্যাল্যান্স-এর মিশন সঠিকভাবে পূরণ হয়েছে। অন্যদিকে একটা বড় অঙ্কের অর্থাগম হয়েছে এই সব রেলের জঞ্জাল বেচে। তাছাড়া এরফলে পূর্ব রেলের অনেক জায়গাও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











