Kolkata

চোখ ধাঁধানো আলোর সাজে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির স্পর্শ পেতে চলেছে হাওড়া ব্রিজ

হাওড়া ব্রিজকে আলোয় সাজিয়ে তোলার কাজ আগেই হয়েছে। এবার সেই ঐতিহাসিক ব্রিজ সেজে উঠতে চলেছে একদম অন্য আলোর সাজে। যা দেশ ও বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষিত করবে।

হাওড়া ব্রিজ তৈরি হয় ১৯৪৩ সালে। ১৯৬৫ সালে এই ব্রিজের নাম রাখা হয় রবীন্দ্র সেতু। ৭০৫ মিটার লম্বা এই ইস্পাত নির্মিত সেতু বাংলার মানুষের কাছে কেবল একটি পারাপারের সেতু নয়, একটা ঐতিহ্য।

৮৩ বছর কেটে যাওয়ার পরও এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১ লক্ষের ওপর যানবাহন এবং দেড় লক্ষের বেশি মানুষ হেঁটে যাতায়াত করেন। এই সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের।

এর আগেই এই সেতুকে আলোকিত করা হয়েছিল বর্ণময় আলোয়। এবার একদম অন্য আলোর সাজে সেজে উঠতে চলেছে কলকাতা ও হাওড়ার সংযোগকারী এই ঐতিহ্যশালী ব্রিজ।

যে আলোয় সাজানো হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে আর্কিটেকচারাল লাইটিং। যাকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি বিস্ময় বলে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞেরা। আলোর এই রোশনাইয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হবে শব্দের ঝংকার। সব মিলিয়ে এক অন্য পরিবেশ সৃষ্টি হবে হাওড়া ব্রিজে।

সামনে থেকে যা দেখার সুযোগ যেমন থাকছে, তেমন যাঁরা কলকাতা বা আশপাশে থাকেন না তাঁদের জন্য একটি অ্যাপের মাধ্যমে হাওড়া ব্রিজের এই অন্য শৃঙ্গার তুলে ধরা হবে বিশ্ববাসীর কাছে।

এই আলোর চোখ ধাঁধানো কাজ অবশ্য প্রতিদিন দেখা যাবেনা। দেখা যাবে বিশেষ বিশেষ উৎসবে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুজো, দিওয়ালী, দোল, গান্ধী জয়ন্তী, স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবসের মত দিনগুলি।

এই আলোকসজ্জা কেবল সেতুটিকে সুন্দর করে সাজানোই নয়, কলকাতার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। সেই সঙ্গে কলকাতার পর্যটনে এই উদ্যোগ এক নতুন আকর্ষণ হতে চলেছে। এই প্রকল্পের জন্য খরচ হচ্ছে ২২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা।

Show Full Article