SciTech

মহাকাশের কৃষক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিল

তিনি মহাকাশে একজন মহাকাশচারী হিসাবেই পৌঁছেছেন। তবে সেখানে পৌঁছে তিনি কৃষকও হয়ে গেছেন। কৃষিজাত ফসলের কথা সমাজ মাধ্যমে জানিয়েছেনও।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী অনিল মেনন একজন নাসা নভশ্চর হিসাবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে পৌঁছেছিলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি অন্য কাজের পাশাপাশি কৃষকের কাজে মন দিয়েছেন। মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় ফসল উৎপাদন করছেন।

পাতা কপি ও ওয়াসাবি ফলিয়েও ফেলেছেন সেখানে। সবুজ বড় বড় পাতা মেলে জন্ম নিয়েছে ফসল। অনিল তাঁর সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে থাকা আর এক নভশ্চর জেসিকা মেয়ারকে সঙ্গে করে তাঁর ফলানো ফসল দিয়ে সেখানে রান্নাও করেছেন। যা খাওয়াও হয়েছে।

আগামী দিনে পৃথিবীর বাইরে জনবসতি গড়ে তোলা বা গভীর মহাশূন্যে পাড়ি দেওয়ার কথা ভাবছে মানুষ। সেখানে দীর্ঘসময় পৃথিবীর বাইরে কাটাতে হবে। ওই সময় খাওয়াদাওয়ার কি হবে?

সে ব্যবস্থা পাকা করতে অনেক আগে থেকেই মহাকাশে চাষাবাদের পথ খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে নাসা। সেই লক্ষ্যেই গত ১ মাসের চেষ্টায় বিশেষ পদ্ধতি মেনে এই ফসল চাষ হয় আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের মধ্যে। যা সফলও হয়েছে। ১ মাসের চেষ্টায় ফসল ফলেছে। যা খাওয়াও গেছে।

নাসার ভেজি প্লান্ট গ্রোথ সিস্টেম পদ্ধতি মেনে এই ফসল মাটি থেকে জন্ম নিয়ে বড় হয়ে উঠেছে। যদি এভাবে মহাকাশে অনায়াসে আগামী দিনে ফসল ফলানো যায় তাহলে দীর্ঘমেয়াদী গভীর মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

সুবিধা হবে চাঁদে গিয়ে দীর্ঘসময় থাকা বা মঙ্গলে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনাতেও। খাওয়ার সমস্যা মিটলে মহাকাশ বিজ্ঞানের উন্নতি হবে। মহাকাশচারীরা আরও বেশি সময় মহাকাশে কাটাতে পারবেন। যে লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে দিলেন অনিল মেনন।

Show Full Article
nilkantho.in App