উঠোন বানাতে গিয়ে মিলল সাড়ে ১৮ কেজি রুপো, দেশের বৃহত্তম গুপ্তধন
বাড়ির উঠোন বানাতে গিয়ে মাটির নিচে মিলল সাড়ে ১৮ কেজি রুপো। খুলে গেল দেশের হাজার বছরের গুপ্ত ইতিহাসের এক অধ্যায়।
বাড়ির পিছনে একটা নতুন উঠোন বানানোর কাজ চলছিল। মাটি সরাতে গিয়ে হঠাৎ এমন কিছু বেরিয়ে এল যা দেখে চমকে উঠলেন বাড়ির মালিক। মাটির নিচে লুকিয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ১৮ কেজি রুপো। হাজার বছর পুরনো।
ঘটনাটি ডেনমার্কের রেবিল্ড এলাকার। প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন একটি মাটির পাত্রের ভিতরে এবং তার আশপাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭০০টির মত রুপোর তৈরি জিনিস ও টুকরো। ওজন সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৮ কেজি। গবেষকদের মতে এটিই এখনও পর্যন্ত ডেনমার্কে পাওয়া সবচেয়ে বড় ভাইকিং যুগের রৌপ্যভান্ডার।
কিন্তু শুধু রুপোর পরিমাণ নয়, এই গুপ্তধনের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছে প্রায় হাজার বছর আগের ভাইকিং দুনিয়ার বহু গল্প। উদ্ধার হওয়া জিনিসের মধ্যে রয়েছে রুপোর বার, ব্রেসলেট, কেটে নেওয়া রুপোর টুকরো, মোট ৪৭টি কয়েন ও কয়েনের টুকরো। পাওয়া গিয়েছে একটি ছোট হাতুড়িও। যেটি ভাইকিং ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম পরিচিত প্রতীক।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় এই গুপ্তধনের মধ্যে শুধু স্ক্যান্ডিনেভীয় নয়, অ্যাংলো-স্যাক্সন এবং ইসলামিক যুগের মুদ্রাও রয়েছে। অর্থাৎ ভাইকিংরা শুধু যুদ্ধ বা লুঠপাটেই সীমাবদ্ধ ছিলনা। তাদের বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছড়িয়ে ছিল ইউরোপ থেকে বহু দূরের অঞ্চল পর্যন্ত।
কে এত বিপুল পরিমাণ রুপো মাটির নিচে লুকিয়েছিল, আর কেন এবং কখনও ফিরে এসে তা উদ্ধার করেনি সেই রহস্যের উত্তর অবশ্য এখনও মেলেনি। একটি সাধারণ বাড়ির উঠোন বানানোর কাজই খুলে দিল ডেনমার্কের ভাইকিং ইতিহাসের এক অসাধারণ গুপ্ত অধ্যায়।













