মাটি খুঁড়ে উদ্ধার প্রাচীন সমাধি, ভিতরে পাওয়া গেল রহস্যময় লাল রং
প্রত্নতাত্ত্বিকরাও এমনটা দেখে অবাক হয়ে যান। একটি খনন চলাকালীন একটি সমাধির খোঁজ পান তাঁরা। সেখানে পাওয়া যায় ৩৮টি কঙ্কাল। আর পাওয়া গেছে রহস্যজনক লাল রং।
একটা সমাধিক্ষেত্র। যা ৬০০ বছর ধরে মাটির তলায় ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে তা উঁকি দল। এরপর সেই সমাধিক্ষেত্রটি মাটি সরিয়ে খুঁজে পাওয়ার পর প্রত্নতাত্ত্বিকরা যথেষ্ট অবাক হয়েছেন।
একটি সমাধিক্ষেত্র যা ৬০০ বছর ধরে মাটির তলায় ছিল, তা এতটা সুন্দর ও সম্পূর্ণ অবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় অবাক প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এটির মধ্যে একাধিক কক্ষ পাওয়া গেছে।
একটি কক্ষে একজন মানুষের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা নিশ্চিত যে ওই মানুষটি সে সময় সমাজের কোনও গণ্যমান্য মানুষ ছিলেন। তাঁর দেহাবশেষের পাশে পাওয়া গেছে ধাতব অলংকার।
এই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু ওই সমাধিক্ষেত্রের আশপাশের কক্ষ খুলতে অবাক হয়ে যান গবেষকেরা। দেখা যায় সেখানে আরও অনেক কঙ্কাল রয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৮টি কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছে।
তাদের আশপাশে পাওয়া গেছে নানাধরনের ধাতব অস্ত্র এবং অনুষ্ঠানে ব্যবহার হওয়া এমব্লেম। কয়েকটি কঙ্কালের পাশে একটি বিশেষ ধরনের লাল রংয়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। গবেষকেরা মনে করছেন এই লাল রং প্রমাণ করছে এঁরা সে সময় সমাজে সম্ভ্রান্ত মানুষ হিসাবে গণ্য হতেন।
এই সমাধিক্ষেত্রটি পাওয়া গেছে পেরুর চ্যান চ্যান নামে শহরে। ইনকা সভ্যতার আগে চিমু সভ্যতার সময় এই সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে সমাধিস্থও করা হয়েছিল।
এই কঙ্কালগুলি যে সে সময়ের জীবন শেষের পরবর্তী পর্যায়ের কথা বলে এমনটা নয়, এগুলি সে সময়ের একটি দলিলও। যেখানে সেই সময়ের ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে সমাজ ব্যবস্থার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যায়।











