তিস্তার ধারে অতি বিরল সাদা সাপের দেখা, বাংলায় এই প্রথম
এমন সাপের দেখা ভারতেই পাওয়া যায়না। পশ্চিমবঙ্গে তো এর আগে কখনও দেখা মেলেনি। উত্তর পূর্ব ভারতেও নয়। তারই দেখা মিলল তিস্তা নদীর ধারে।
প্রবল বৃষ্টিতে জলস্ফীতি। আর তার জেরেই ফুঁসছে তিস্তা নদী। সিকিমে অতি প্রবল বৃষ্টির জল তিস্তাকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। এরমধ্যেই দার্জিলিং জেলার লিখুভি এলাকায় তিস্তার ধারে একটি সাদা বিশালাকার অজগরের দেখা মিলেছে। যার রং ধবধবে সাদা। আর এটাই সাপটিকে চর্চার কেন্দ্রে তুলে এনেছে।
১০ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে এই সাপটির ছবি ক্যামেরাবন্দি করেন এক ব্যক্তি। সেই ছবি সামনে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন এটা অ্যালবিনো পাইথন।
যদিও তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সাপটি নিয়ে গবেষণা চলছে। এমন সাদা বিশাল আকারের পাইথন এর আগে কখনও পশ্চিমবঙ্গে দেখতে পাওয়া যায়নি।
মনে করা হচ্ছে ঘন জঙ্গলে থাকলেও প্রবল বৃষ্টিতে সাপটি বেরিয়ে আসে জঙ্গল থেকে। তারপর কোনওভাবে তিস্তার জলস্রোতে পড়ে ভেসে চলে আসে লিখুভিতে। এমন সাপ অতি বিরল। কারণ অজগরের এমন রং হয়না। যদি হয় তাহলে তা অতি বিরল বলেই চিহ্নিত হয়।
ভারতেই এমন সাপের আগে দেখা পাওয়া গেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় ছিল এই সাপটি? সেটা কি সিকিম থেকে ভেসে এসেছে? নাকি দার্জিলিংয়ের কাছেই কোনও জঙ্গলে ছিল?
উত্তর পরিস্কার নয়। তবে যা মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা অর্থাৎ এটি যদি অ্যালবিনো পাইথনই হয় তাহলে তা বাংলায় পাওয়া প্রথম অ্যালবিনো পাইথন হিসাবে চিহ্নিত হবে।













