লাল গ্রহের মাটিতে লাল রত্নের খোঁজ, প্রাচীন মিশরে ব্যবহার হত এই রত্নের, অবাক বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহ সম্বন্ধে যাবতীয় ধারনা বদলে দেওয়ার মত এক খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। যা তাঁদেরকেও অবাক করে দিয়েছে। এমন লাল রত্ন আবার ব্যবহার করতেন মিশরীয়রা।
লাল গ্রহ নিয়ে যত গবেষণা হচ্ছে ততই নতুন নতুন চমক সামনে আসছে। বিজ্ঞানীরা যে লাল গ্রহকে এখনও সেভাবে চিনে উঠতে পারেননি, তার ইতিহাস নিয়ে নিশ্চিত নন, তা এই চমকগুলো বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে।
মঙ্গলগ্রহের একটি উল্কাপিণ্ডকে পরীক্ষা করতে গিয়ে মঙ্গলগ্রহের ভূতাত্ত্বিক বিবর্তনের নতুন রহস্যের খোঁজ পেল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহল। যাঁরা এই খণ্ডটি নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন তাঁরা এই খণ্ডের মধ্যে এমন পাথরের খোঁজ পান যা মঙ্গলে এর আগে দেখা যায়নি।
পাথরটি কালচে লাল রংয়ের। যেটি আদপে একটি রত্নও বটে। যা প্রাচীনকালে আবার মিশরীয় ও রোমান ধনীদের মধ্যে ব্যবহারের চল ছিল। পাথরটি মঙ্গলগ্রহের মাটিতে পাওয়া মঙ্গল সম্বন্ধে এতদিনের ধারনা বদলে দিতে পারে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে তাঁরা এটা বুঝে উঠতে পারছেন না পাথরটি মঙ্গলের মাটিতেই তৈরি হয়েছে কিনা। কেউ মনে করছেন তা লাভা উদ্গীরণের জেরে তৈরি হয়েছে। কেউ মনে করছেন হয়তো এমনও হতে পারে যে মঙ্গলের মাটিতে অন্য কোথাও থেকে উল্কাপিণ্ড আছড়ে পড়ে। তারপর সেটাই আবার উল্কা হয়ে আছড়ে পড়ে পৃথিবীতে।
প্রসঙ্গত অতি প্রবল চাপ ও উত্তাপের ফলে পাথরের রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে এই ধরনের কালচে লাল পাথরের জন্ম হয়। যার অংশ মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা উল্কায় পাওয়া যাওয়া বিজ্ঞানীদের নতুন করে লাল গ্রহ নিয়ে ভাবাচ্ছে।











