সোমনাথ মন্দিরে ঐতিহাসিক কুম্ভাভিষেক, আকাশ সাজাল সূর্যকিরণ, সাক্ষী প্রধানমন্ত্রী
দ্বাদশ জ্যোর্তিলিঙ্গের একটি সোমনাথ। সেই সোমনাথ মন্দিরে পালিত হল ১১টি তীর্থের জল দিয়ে ঐতিহাসিক কুম্ভাভিষেক। মন্দিরের মাথায় নীল আকাশকে সাজিয়ে দিল বায়ুসেনার সূর্যকিরণ।
১৯৫১ সালে গুজরাটের ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয় আরবসাগরের ধারে। সেই মন্দিরের ৭৫ বছর পূর্ণ হয়েছে ২০২৬-এ। এই ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার সোমনাথ মন্দিরে হল বিশেষ পুজো। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বহু বিশিষ্টজন।
মন্দিরের ৯০ মিটার উচ্চতায় রয়েছে মন্দিরের শিখর। দেশের ১১টি তীর্থক্ষেত্র থেকে আনা জল দিয়ে সেখানেই হল কুম্ভাভিষেক। সে এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত। যার সাক্ষী রইলেন প্রধানমন্ত্রী সহ উপস্থিত সকলেই।
এদিন মহাসমারোহে এখানে পালিত হল সোমনাথ অমৃত পর্ব ২০২৬। যেখানে শুধু কুম্ভাভিষেকই নয়, সেই সঙ্গে রীতি মেনে হল জলাভিষেক, ধ্বজা পূজা, মহাপূজা।
সোমনাথ মন্দিরের এই ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এদিন উপস্থিত সকলের নজর কেড়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার সূর্যকিরণ। সূর্যকিরণ এরোব্যাটিক টিম চোখ ধাঁধানো এক এয়ার শো তুলে ধরে সোমনাথ মন্দিরের মাথায়।
আকাশ যেন সূর্যকিরণের অপূর্ব ও নিখুঁত এয়ার শোতে নতুন সাজে সেজে ওঠে। যতক্ষণ শো চলেছে কেউ আকাশ থেকে নজর সরাতে পারেননি।
প্রসঙ্গত ভারতীয় বায়ুসেনার সূর্যকিরণ টিম ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়। তারপর থেকে সূর্যকিরণ ৮০০-র বেশি এমন এয়ার শো করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সকলকে।
এদিন মন্দিরে হাজির হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি রোড শো করেন। বহু মানুষ হাজির ছিলেন সেই রোড শো প্রত্যক্ষ করতে। সেই সঙ্গে গির সোমনাথ জেলা জুড়েই ছিল নিশ্ছিদ্র সুরক্ষা বলয়। সোমনাথ অমৃত পর্ব উপলক্ষে এদিন একটি ৭৫ টাকার কয়েনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












