সমুদ্রধারের রাজ্যে উদ্ধার ৩০০ বছর পুরনো মূর্তি, দেবতা না অন্য কেউ
দেশের অন্যতম পর্যটন রাজ্যে এবার পাওয়া গেল ৩০০ বছর পুরনো এক মূর্তি। এ মূর্তি কোনও দেবতার, নাকি অন্য কারও তা নিশ্চিত নন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।
উদ্ধার হল একটি ৩০০ বছরের পুরনো মূর্তি। রূপান্তরিত শিলাখণ্ড দিয়ে তৈরি এই মূর্তি জুড়ে শিল্পের নিখুঁত প্রদর্শনী। জটিল শিল্পকীর্তি। যে মূর্তিটি পাওয়া গেছে তার ২টি হাত। একটি হাতে রয়েছে তরোয়াল। অন্য হাতটি কোমরের কাছে ধরা। মাথায় মুকুট।
এছাড়া রয়েছে কানে দুল, হার, চুড়ি, কোমরবন্ধ। মূর্তিটির পিছনে রয়েছে একটি চালচিত্রের মত। তাতেও রয়েছে শিল্পকীর্তির ছোঁয়া। মূর্তিটি যে কোনও পুরুষের তা নিশ্চিত প্রত্নতাত্ত্বিকরা। তবে এই মূর্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য।
কারণ প্রত্নতাত্ত্বিকরাও বুঝে উঠতে পারছেন না মূর্তিটি কোনও পুরুষ দেবতা কিনা! এটা কোনও লৌকিক পুরুষ দেবতার বলে মনে করছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। তবে তাঁরা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।
এমনও হতে পারে যে এ মূর্তি কোনও পুরুষ দেবতার নয়, বরং কোনও রাজার। সে রহস্য উন্মোচন করতে মূর্তিকে আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মূর্তিটি নিয়ে খোঁজখবরও করা হচ্ছে।
দেশের অন্যতম সমুদ্র পর্যটন খ্যাত রাজ্য গোয়ার হণ্ডা নামক স্থান থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করেছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই মূর্তি গোয়ার প্রাচীন ইতিহাস ও পরম্পরার কথাও জানান দিচ্ছে। জানান দিচ্ছে সে সময়ের গোয়ার শিল্প সংস্কৃতির।
তবে এটির ধর্মীয় কোনও দিক আছে কিনা সেটাই এখনও পরিস্কার নয়। গোয়ার লোককথায় ধর্মীয় রীতির ধারনা নিয়ে আরও খতিয়ে খবর নেওয়া হচ্ছে। যাতে এই মূর্তির পরিচয় জানতে পারা যায়।











