রাতভর তাণ্ডবের পর এখন অনেকটাই দুর্বল ঘূর্ণিঝড়, কখন কোথা দিয়ে ঢুকল স্থলভাগে
সাগর ছেড়ে ডাঙায় প্রবেশ করল অর্ণব। তখন রাত ২টো। বুধবার দুপুরের মধ্যে অনেকটাই দুর্বল হল তার শক্তি। তবে তার আগে ঝড়ের গতি পৌঁছল ১৫০ কিলোমিটারে।
সাগরে ফুঁসতে থাকা ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবারই স্থলভাগে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছিলেন আবহবিদেরা। সেইমত প্রস্তুতিও হয়েছিল যাতে মানুষের ক্ষতি না হয়। বুধবার রাত ২টোয় তা স্থলভাগ ছুঁয়ে ফেলে। তারপর শুরু হয় তার প্রবেশ।
আবহবিদেরা এখন পুরো ঘূর্ণিঝড় প্রবেশ করেছে কিনা তা স্থির করেন সেই ঝড়ের কেন্দ্রটি স্থলভাগে ঢুকে গেছে কিনা তা দেখে। অর্ণব কিন্তু রাত ২টো থেকে তার তাণ্ডবলীলা চালাতে চালাতে প্রবেশ করতে থাকে। যা চলে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত। এরমধ্যে অনেক গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি উড়িয়ে দেয় ১৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া ঝড়টি। সঙ্গে চলতে থাকে প্রবল বৃষ্টি।
অর্ণব স্থলভাগে প্রবেশের পর তা ক্রমশ উত্তর পশ্চিম অভিমুখে এগোতে থাকে। আর সে স্থলভাগে যতই এগিয়েছে, ততই কমেছে তার শক্তি। বুধবার দুপুরের মধ্যে তা অনেকটাই শক্তি হারায়। শক্তি হারিয়ে ক্রমশ সেটি একটি নিম্নচাপের রূপ নেবে। যার জেরে প্রবল বৃষ্টি হবে।
ঝড়ের প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি পড়েছে। কারণ অন্ধ্রপ্রদেশের নারসাপুর দিয়ে ঝড়টি স্থলভাগে প্রবেশ করে। ফলে সেখানে ও তার আশপাশের এলাকায় রাতভর তাণ্ডব চলেছে।
ঝড় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটির পাশাপাশি আরও অনেক কাঁচাবাড়ি সহ জিনিসপত্রের ক্ষতি করেছে। ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় এলাকার ফসলের।
এদিকে অর্ণব স্থলভাগে প্রবেশ করার পর দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই সকাল থেকে নামমাত্র রোদের দেখা পাওয়া গেছে। মেঘে ঢাকা রয়েছে আকাশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











