ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের জেরে হাসি ফুটতে চলেছে রাজস্থানের বাসিন্দাদের মুখে
অর্ণব আছড়ে পড়তে চলেছে। যা নিয়ে তটস্থ অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা সহ তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, পশ্চিমবঙ্গও। কিন্তু সেই অর্ণবের জন্য হাসি ফুটতে চলেছে রাজস্থানের মানুষের মুখে।
অতি শক্তিধর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব নিয়ে তটস্থ দেশের পূর্ব উপকূলের রাজ্যগুলি। পশ্চিমবঙ্গেও অনেক জায়গায় মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টি এক আর ঝড়ের তাণ্ডব এবং তার সঙ্গে অতি প্রবল বৃষ্টি অন্য। যা মানুষের রাতের ঘুম উড়িয়ে দেয়। ঘুম উড়িয়ে দেয় প্রশাসনের।
প্রবল ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয় এমন ঘূর্ণিঝড়। তাই অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশার প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে। সঙ্গে চিন্তায় পূর্ব উপকূলের বাকি রাজ্যগুলিও। কিন্তু সেই ঘূর্ণিঝড় অর্ণব হাসি ফোটাতে চলেছে রাজস্থানের বাসিন্দাদের মুখে।
স্থলভাগে প্রবেশের পর অতি প্রবল বৃষ্টি ঝড়, সবই চলতে থাকে। সেই সঙ্গে ক্রমে তা শক্তিও হারাতে থাকে। কিন্তু অর্ণবের প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে রাজস্থানে পৌঁছতে চলেছে। যার জেরে রাজস্থানে আগামী ২৯ ও ৩০ অক্টোবর বৃষ্টি হতে চলেছে বলেই পূর্বাভাস।
রাজস্থানে অর্ণবের প্রভাবে পূবালী বাতাস সক্রিয় হবে। তার জেরে হবে বৃষ্টি। যাতে আবার ইন্ধন জোগাতে চলেছে ঠিক ওই সময় আসা একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এর জেরে বর্ষায় দেশের অন্যতম কম বৃষ্টি পাওয়া রাজ্য রাজস্থান ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টি পেতে চলেছে। যা তাদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।
কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে। কারণ মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি রাজস্থানেও অনেক জায়গা খরার কবলে। সেখানে যদি ৩ দিন বৃষ্টি হয় তাহলে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও ঘুরবে।
আবার অক্টোবরের শেষেও চড়া গরমে পুড়তে থাকা রাজস্থানের অধিকাংশ জায়গা বৃষ্টির জেরে কিছুটা ঠান্ডা হবে। যা স্থানীয় মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











