দেশের আর এক রাজ্যে কম বর্ষা, খরার জন্য ধানে ঘাটতি, কাঠগড়ায় এল নিনো
খরা পরিস্থিতির জন্য মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের পর এবার দেশের আরও এক রাজ্য ভুগছে। কম বর্ষার কারণে ধান চাষে প্রবল ঘাটতি সে রাজ্যে। এল নিনোকেই দায়ী করা হচ্ছে।
বঙ্গোপসাগরে এবার নিম্নচাপ দুর্বল। তার একটা প্রভাব পড়েছে। ফলে ধান চাষ বড় ধাক্কা খেয়েছে। রাজ্যের ৩৬৫টি মণ্ডল খরার কবলে। যারমধ্যে ১১১টি প্রবল খরার ধাক্কা বহন করছে। ২৫৪টি তার চেয়ে কিছুটা কম। কিন্তু খরা পিছু ছাড়েনি।
ফলে তার প্রভাব পড়েছে খরিফ শস্যে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ধানের। ধান চাষের কাজে লাগা মোট জমির ১৮ শতাংশে কোনও চাষ হয়নি। ফলে ধানের ফলনে তার প্রভাব অনেকটাই পড়েছে। তেলেঙ্গানার এই বেহাল অবস্থার রিপোর্ট সামনে এসেছে।
দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে এবার বর্ষা কম হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে তেলেঙ্গানাও। তেলেঙ্গানায় এবার বর্ষা ঘাটতি উল্লেখযোগ্য। যেখানে বর্ষার ৪ মাসে তেলেঙ্গানা সাধারণভাবে ৭৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি পায়, সেখানে এবার বৃষ্টি হয়েছে ৬১৫ মিলিমিটার। স্বাভাবিকের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে এবারের বর্ষায়।
তার ফল কৃষিজমির ওপর সরাসরি পড়েছে। কমেছে ফলন। অন্যদিকে জলাধারে জল কমেছে। খাল বিলেও কমেছে জলস্তর। মাটির তলার জলেও ঘাটতি। প্রভাব পড়েছে পশুখাদ্যেও।
তেলেঙ্গানা সরকার ৩১টি জেলার মধ্যে ৩৬৫টি মণ্ডলকে খরা প্রভাবিত বলে ঘোষণা করেছে। এল নিনো-র বাড়তে থাকা প্রভাবের কারণেই এই খরা পরিস্থিতি বলে মনে করছে তারা।
এল নিনো যে এবার বর্ষায় প্রভাব ফেলবে তা আগেই আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন। এবার দেশের সার্বিক বর্ষায় ঘাটতি হয়েছে। তার প্রভাব সব রাজ্যে না পড়লেও অনেক রাজ্যকেই সেই ধাক্কা বহন করতে হচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে কম বৃষ্টি হয়েছে। টানা শুকনো থেকেছে বর্ষার সময়। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











