প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে অর্ণব, কবে কোথা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করছে তাও জানা গেল
বঙ্গোপসাগরের ওপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এখন প্রবল শক্তিধর একটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে ধেয়ে আসছে স্থলভাগের দিকে। কোথা দিয়ে কবে স্থলভাগে প্রবেশ করছে এই ঝড়।
বঙ্গোপসাগরে যখন নিম্নচাপটি জন্ম নিচ্ছিল, তখনই আবহবিদেরা জানিয়ে দিয়েছিলেন এটি একটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে। হয়ও তাই। সোমবার সকালেই সেটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়। এখন সেটি ক্রমে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসছে। তার শক্তিও বেড়েছে।
এখন অর্ণব একটি অতি শক্তিধর ঘূর্ণিঝড়ের নাম। যা আগামী বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশের ইয়ানাম দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে চলেছে। যার প্রভাবে এক ধ্বংসলীলার জন্য তৈরি অন্ধ্র প্রশাসন। তবে অর্ণবের জেরে মানুষের ক্ষতি যাতে আটকানো যায় সেদিকে জোর দিচ্ছে তারা।
অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ঝড় শুরু হলে কেউ যেন বাড়ি থেকে না বার হন তার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আধিকারিকরা যেসব পরিবারকে অস্থায়ী শিবিরে চলে যেতে বলবেন তা মান্য করতেও বলা হয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের ২০টি জেলায় ২ হাজার ১৩১টি এমন ঘূর্ণিঝড়ের জন্য অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হবে। তাই সমুদ্রের ধারে তো নয়ই, এমনকি নদী, খাল বিল দিঘির ধারেও যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
১৪টি জেলায় এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ কর্মীদের নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ সামলানো যায়। স্থলভাগে প্রবেশের পর ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি পৌঁছতে পারে ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।
সেই সঙ্গে অতি প্রবল বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ১৪ হাজার ৬৮৬টি রেশন দোকানে ২ মাসের খাদ্য ভান্ডার মজুত রাখা হয়েছে। এদিকে উদ্ধারকাজে গতি রাখতে ৫৫০টি জেসিবি মেশিনও তৈরি রাখা হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











