National

পর্বতের ভূত রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করছে ভারতীয় সেনা

তাদের রক্ষা করতে হবে। তারা যাতে নিশ্চিন্তে কাটাতে পারে তাদের মত করে তার ব্যবস্থাও করতে হবে। সেই উদ্যোগে বড় ভূমিকা পালন করছে ভারতীয় সেনা।

দেশকে বহিঃশত্রুর হাত থেকে সুরক্ষিত রাখা যেমন ভারতীয় সেনার লক্ষ্য তেমনই তারা অন্য কাজও করে চলে বছরভর। যার মধ্যে রয়েছে পর্বতের ভূত-দের নিশ্চিন্ত জীবন দেওয়ার প্রচেষ্টা। লাদাখে সেই প্রচেষ্টায় ত্রুটি রাখে না তারা।

পর্বতের উঁচুতে বাস এই ঘোস্ট অফ দ্যা মাউন্টেনস বা পর্বতের ভূত বলে পরিচিত স্নো লেপার্ডদের। এই তুষার লেপার্ডরা এতটাই দুর্গম জায়গায় থাকে যে সাধারণ পর্যটকেরা তাদের দেখাই পান না। কিন্তু সেখানে বসবাসকারীরা এদের সঙ্গে পরিচিত।

স্নো লেপার্ড কিন্তু অতি বিরল প্রাণিদের তালিকায় পড়ছে। তাদের রক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। চোরাশিকারিদের কারণে স্নো লেপার্ডের সংখ্যা কমেছে। এছাড়া গ্রামে ঢুকে খাবারের সন্ধানে গৃহপালিত পশুদের ওপর হানা দিলে এদের ছেড়ে কথা বলছেন না গ্রামবাসীরাও।

কিন্তু স্নো লেপার্ডদের খাবারের একটা সমস্যা হচ্ছে। তার সঙ্গে রয়েছে বদলাতে থাকা আবহাওয়া, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং খনির প্রভাব। যা স্নো লেপার্ডের সংখ্যা কমাচ্ছে।

এরা সাধারণত পর্বতের অনেকটা উঁচুতে, ঠান্ডা শুকনো জায়গায় থাকে। ভারতের জম্মু কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, সিকিম, উত্তরাখণ্ড এবং অরুণাচল প্রদেশের পর্বতের অনেক উঁচুতে এদের বাস।

ভারতে ২০২৪ সালের হিসাবে স্নো লেপার্ড রয়েছে ৭১৮টি। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক স্নো লেপার্ড আছে লাদাখে। সেখানেই রয়েছে ৪৭৭টি স্নো লেপার্ড।

লাদাখে এই স্নো লেপার্ডরা যেখানে থাকে তার কাছাকাছি ভারতীয় সেনার ঘোরাফেরা। সেনাবাহিনীর তরফে এদের সুরক্ষা ও নিশ্চিন্ত বাসের দিকে জোর দেওয়া হয়। জোর দেওয়া হয় পর্বতের উঁচু জায়গা যেখানে স্নো লেপার্ডরা রয়েছে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যেও। আর সেটা করে ভারতীয় সেনাই। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article