গঙ্গার প্রবেশদ্বারের শহরে হেঁটে চলছে গঙ্গার তলায় পড়ে থাকা জঞ্জালের স্তূপ পরিস্কার
গঙ্গার তলদেশে এখন দেদার হেঁটে বেড়াচ্ছেন যুবকের দল। গঙ্গার তলার পাথরের খাঁজে খাঁজে আটকে থাকা জঞ্জালের স্তূপ পরিস্কার করছেন তাঁরা।
গঙ্গা এখানে খরস্রোতা। প্রবল গতিতে বয়ে চলে তার ঠান্ডা জল। সেখানেই এখন খুশি মত ঘুরে বেড়াচ্ছেন যুবকের দল। গঙ্গার তলদেশে এখন তাঁদের অবাধ বিচরণ। গঙ্গার যে তলদেশ সারা বছর জলের তলায় সকলের অলক্ষ্যে থাকে সেখানেই বছর ভর জমে প্রচুর জঞ্জাল।
কি নেই তাতে? প্লাস্টিক থেকে কাপড়, ফুলমালা থেকে দামি ধাতু, পয়সা থেকে আরও অনেককিছু। সেসব এখন পরিস্কারের কাজ করছেন একদল যুবক। মনে হতেই পারে গঙ্গার তলদেশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন কীভাবে এঁরা?
এ দৃশ্য সারা বছরে দেখা না গেলেও গঙ্গার প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত হরিদ্বার শহরের গা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া গঙ্গায় জল দুর্গাপুজো থেকে দিওয়ালী পর্যন্ত বয়ে যায়না। গঙ্গা শুকিয়ে থাকে। ফলে গঙ্গার তলদেশ শুকিয়ে তার ওপর দিয়ে নিশ্চিন্তে হাঁটাচলা করা যায়।
হরিদ্বারে হর কি পৌরি ঘাটের সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গার জলকে আগেই বাঁধ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। ২০ দিনের জন্য এই সময় প্রতিবছর বন্ধ থাকে এখান দিয়ে জল যাওয়া। তখন এখানে সাফাইয়ের কাজ চলে।
সে কাজ এখন চলছে পুরোদমে। যার ছবিও ছড়িয়েছে সমাজ মাধ্যমে। এখানে গঙ্গা লাগোয়া ২ ধারে সারি দিয়ে বাড়ি রয়েছে। সেসব বাড়ির যে অংশ সারা বছর জলের তলায় থাকে সেসব জায়গার মেরামতির প্রয়োজন পড়লেও এই সময়ে তা করে নেওয়া হয়। এদিকে হরিদ্বারে শুকিয়ে যাওয়া গঙ্গার এই অচেনা রূপ দেখতে অনেকে ভিড় জমান গঙ্গার ধারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











