২০৩০ সালের মধ্যে হাইড্রোজেনের হাত ধরে জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোয় জোর, কমবে খরচও
২০৩০ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন জ্বালানির উৎপাদন ৫০ লক্ষ মেট্রিক টনে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করল ভারত। যা খরচ কমাবে। কমাবে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন।
ইতিমধ্যেই ভারতের রেলপথে যাত্রা শুরু করেছে হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন। যা কেবল একটি বিকল্প জ্বালানি নয়, তা পরিবেশ বান্ধবও। দেশে এখন জ্বালানি বলতে মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি বা পেট্রোল, ডিজেলের নাম সামনে আসে। যার অনেকটাই কিনতে হয় বিদেশ থেকে। ফলে জ্বালানি কেনায় বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়।
সেই খরচ কমবে যদি জ্বালানি কেনা কমানো যায়। আর তা করতে গেলে বিকল্প জ্বালানির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। এবার সেই লক্ষ্যেই এগোতে চায় দেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদন ৫০ লক্ষ মেট্রিক টনে পৌঁছে দিতে চায়। সেজন্য যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
হাইড্রোজেন জ্বালানির ব্যবহার যত বাড়বে ততই বিদেশ থেকে জ্বালানি কেনার খরচ কমবে। বিকল্প জ্বালানির লক্ষ্যে ঠিকমত ছুটতে পারলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদেশ থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনার খরচ ১ লক্ষ কোটি টাকা কমতে পারে।
অন্যদিকে দেশের শক্তি সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে। জীবাশ্ম জ্বালানি কমে হাইড্রোজেন জ্বালানির মত পরিবেশ বান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়লে কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমনও অনেকটা কমবে।
এই গ্রিন হাইড্রোজেন পলিসিতে সরাসরি যোগ দিয়েছে দেশের ৬টি রাজ্য। যে তালিকায় পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট ও অন্ধ্রপ্রদেশ।
এদিকে হাইড্রোজেন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে শিল্প উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান অনেকটাই বাড়তে পারবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











