National

মরসুমের প্রথম তুষারপাতে সাদা হয়ে গেল দেশের এক প্রান্ত, উৎসবের মাঝে বেজায় খুশি পর্যটকেরা

শরতে প্রথম তুষারপাতে সাদা হয়ে গেল দেশের একাংশ। যা দেখে বেজায় খুশি পর্যটকেরা। পাহাড়ের ঢালে সাদা বরফের চাদরে উৎসবের ছুটি চুটিয়ে উপভোগ করতে চান তাঁরা।

দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গেল বলাই যায়। আকাশে বাতাসে এখন পুজোর গন্ধ। ঝলমলে শরতের নীল আকাশ আর পেঁজা তুলোর মত মেঘের আনাগোনা পুজোর আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

বাংলায় যখন মানুষ পুজোর আনন্দে মেতে উঠছেন তখন দেশের আর এক প্রান্তে অন্য খুশির ঢল নেমেছে। পাহাড়ের ঢালে সেখানে এই মরসুমের প্রথম তুষারপাতের ছোঁয়া লেগেছে। সাদা বরফের চাদরে মুড়ে গেছে ভূস্বর্গের পাহাড়ি এলাকা।

জম্মু কাশ্মীরের গুলমার্গ থেকে জোজিলা পাস, রাজদান থেকে সিন্থান টপ, সর্বত্র তুষারে সাদা। এই মরসুমের প্রথম তুষারপাত যেমন সেখানকার স্থানীয় মানুষের মনে আনন্দ দিয়েছে, তেমনই খুশি পর্যটকেরা।

উৎসবের ছুটিতে যাঁরা জম্মু কাশ্মীরে বেড়াতে এসেছেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই বরফের ছোঁয়া বাড়তি আনন্দের সঞ্চার করেছে। পর্যটকেরা প্রথম তুষারপাতের পরই নেমে পড়েছেন বরফ নিয়ে আনন্দ করতে। ছোটদের আনন্দ সবচেয়ে বেশি। বরফের গোলা তৈরি করে চলছে একে অপরের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া।

আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে সামনের কয়েক দিনেও কিন্তু তুষারপাতের সম্ভাবনা থাকছে। ফলে আরও তুষারপাত হবে। গুলমার্গে যাঁরা বেড়াতে গিয়ে স্কি করতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্যও এই তুষারপাত সুবিধা করে দিল। বরফে মুড়ে যাওয়া পাহাড়ি ঢালে স্কি করায় আর কোনও সমস্যা রইল না।

কাশ্মীরের সৌন্দর্য আরও মোহময় হয় বরফের ছোঁয়ায়। তুষারপাত, তুষারাবৃত পাহাড় দেখে মন ভরে যায় পর্যটকদের। বাংলায় যখন দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়ল, ঠিক সেই সময়ই কাশ্মীরে মরসুমের তুষারপাতের ঢাকে কাঠি পড়ল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article