দুর্গাপুজো থেকে এক রাজ্যে ১০ শতাংশ কমানো হচ্ছে জল সরবরাহ, পানীয় জল রাখায় জোর
জলের অভাব। তাই জল ব্যবহার নিয়ে কড়াকড়ি। দুর্গাপুজোর মুখ থেকেই শুরু এক রাজ্যে জল সরবরাহে কাটছাঁট। ১০ শতাংশ কমানো হচ্ছে সরবরাহ।
বৃষ্টি অনেকটাই কম হয়েছে। পরিস্থিতি বেশ জটিল। জলাধারগুলিতে জলের টান রয়েছে। বর্ষায় যথেষ্ট ভরেনি জলাধার। তাই ১৬ অক্টোবর থেকে এক রাজ্যে জল নিয়ে কড়া হচ্ছে রাজ্যসরকার। ১০ শতাংশ জল সরবরাহ কমিয়ে দিচ্ছে তারা।
কারখানাগুলিতে যে জল লাগে তার ৩০ শতাংশ তাদের বর্জ্য জলকেই পুনর্ব্যবহার করে চালাতে বলা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে পানীয় জলের মজুতে।
২০২৭ সালের ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত পানীয় জল যাতে মজুত থাকে তার ব্যবস্থা পাকা করা হয়েছে। পানীয় জল পর্যাপ্ত রেখে তারপর বাকি জল আর যা কাজে ব্যবহার করার করা হবে বলে পরিস্কার করে দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। কারণ মহারাষ্ট্রে জলের সমস্যা চরমে উঠেছে।
মহারাষ্ট্রে এবার খরা পরিস্থিতি। রাজ্যের ৩৫৮টি তালুকের মধ্যে ২৬৫টি তালুকেই খরা ঘোষণা করা হয়েছে। ফসলের হাল খারাপ। তারমধ্যে এবার বর্ষায় বৃষ্টি কম হওয়ায় জল সংকটও দেখা দিয়েছে।
১৬ অক্টোবর থেকে তাই ১০ শতাংশ জল সরবরাহে কাটছাঁটের ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল এবং গৃহপালিত পশুদের জন্য জল রেখে তারপরই চাষাবাদের জন্য জল দেওয়া হবে বলেও পরিস্কার করে দেওয়া হয়েছে।
এল নিনোর প্রভাব পড়তে পারে, বর্ষায় বৃষ্টিও কম হয়েছে, জলাধারগুলিতে জল কমেছে, এসব কথা মাথায় রেখেই জল সরবরাহ ১০ শতাংশ কমানোর পথে হাঁটল মহারাষ্ট্রে সরকার।
বাংলার মত অত দুর্গাপুজো মহারাষ্ট্রে না হলেও সেখানে এই একই সময়ে নবরাত্রি পালিত হয় ধুমধাম করে। সেই উৎসবের আবহের মধ্যেই এই জলে কাটছাঁট রাজ্যের সাধারণ মানুষের ওপর কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে চলেছে।











