National

ভারতীয় পর্যটনে নতুন আকর্ষণ সমুদ্রপারের বাতিঘর, পর্যটকের সংখ্যায় রেকর্ড লাফ

ভারতীয় পর্যটনে যে বাতিঘর একটা বড় আকর্ষণ হতে পারে তা পর্যটকের সংখ্যায় লাফ থেকে পরিস্কার। এমন রেকর্ড লাফ আগে কখনও দেখা যায়নি।

অনেক দেশের মতই ভারতেরও দীর্ঘ উপকূল জুড়ে রয়েছে বাতিঘর বা লাইটহাউস। যার প্রধান কাজ হল জাহাজদের পথ দেখানো। বোঝানো কোথায় রয়েছে উপকূল। জাহাজগুলি কোন পথে যেতে চায় তাও এই বাতিঘরের মাধ্যমে বোঝানো হয়।

উপকূল জুড়ে থাকা বাতিঘরগুলি প্রাচীনত্বেও নেহাত কম যায়না। সেসব বাতিঘর এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। বাতিঘর ঘুরে দেখার প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বৃদ্ধি সরকারকেও উৎসাহ দিয়েছে। বাতিঘরগুলিকে পর্যটন কেন্দ্র করে তোলার প্রতি সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

ভারতের ১১ হাজার কিলোমিটার ব্যাপী উপকূল জুড়ে রয়েছে ২০৫টি বাতিঘর। যার মধ্যে ৭৫টি বাতিঘরকে পর্যটন কেন্দ্রের রূপ দেওয়া হয়েছে। পর্যটকেরা ঘুরে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন এসব বাতিঘর। আরও ২৫টিকে পর্যটন কেন্দ্রের রূপ দিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

যেসব বাতিঘর এখন ঘুরে দেখছেন পর্যটকেরা তার মধ্যে রয়েছে গুজরাটের মাণ্ডবী লাইটহাউস, দ্বারকা লাইটহাউস, কর্ণাটকের তাদরি লাইটহাউস, তামিলনাড়ুর পামবান লাইটহাউস, কেরালার ভিজিনাম লাইটহাউসের মত বাতিঘরগুলি।

বাতিঘর ঘুরে দেখার প্রতি মানুষের উৎসাহ যে কতটা বেড়েছে তা পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি থেকেই পরিস্কার। ২০১৪ সালে যেখানে ৪ লক্ষ পর্যটক বাতিঘর ঘুরে দেখার প্রতি উৎসাহ দেখিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ লক্ষ ৬৩ হাজার। পর্যটন আকর্ষণে এই লাফ থেকেই পরিস্কার যে পর্যটকেরা ভারতের বাতিঘর ঘুরে দেখার প্রতি কতটা আগ্রহী হয়েছেন।

এমনকি বাতিঘর নিয়ে মানুষের আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি করতে লাইটহাউস ফেস্টিভ্যাল বা বাতিঘর উৎসবের মত অভিনব আয়োজনও শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রথম উৎসবটি হয় গোয়ার ফোর্ট আগুয়াদা-তে। ২০২৪ সালে এই উৎসবই আয়োজিত হয় ওড়িশার পুরীতে। ২০২৬ সালে এই উৎসব তৃতীয়বার আয়োজিত হয় বিশাখাপত্তনমে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article