গাইড বা স্থানীয় কারও দরকার নেই, পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের সব জানাবে বারকোড
কোথাও বেড়াতে গেলে সেখানকার সম্বন্ধে জানতে গাইড বা স্থানীয় মানুষের সাহায্য নিয়ে থাকেন পর্যটকেরা। দেশের একটি রাজ্যে আর তাঁদের দরকার পড়বে না।
পর্যটকেরা কোথাও বেড়াতে গিয়ে সেখানকার দ্রষ্টব্য স্থান ঘুরে দেখেন। সেখানে পৌঁছলেও সেখানকার ইতিহাস, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব সম্বন্ধে পরিস্কার ধারনা থাকেনা। সেটা জানার জন্য অনেক সময়ই তাঁদের গাইডের ওপর বা স্থানীয় কোনও মানুষের ওপর ভরসা করতে হয়। এজন্য খরচও করতে হয়।
এসব কিছু আর দরকার পড়বে না। সেই সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে একেবারে সঠিক তথ্য, সেই জায়গার গুরুত্ব, সেখানে কি কি রয়েছে দেখার, সেগুলির সঙ্গে কি কাহিনি জড়িয়ে আছে, সবই পর্যটকেরা জেনে যাবেন একটি বারকোড স্ক্যান করলে।
নিজের স্মার্টফোনে সেই বারকোড স্ক্যান করলেই তাঁরা সেই জায়গা সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য পড়ে নিতে পারবেন। পাথর বা ধাতব পাতেও সেখানকার ইতিহাস বর্ণিত থাকবে। যা সেখানে দাঁড়িয়ে পড়েও নিতে পারবেন পর্যটকেরা।
উত্তরপ্রদেশের পর্যটন দফতর এই উদ্যোগ নিয়েছে। সে রাজ্যে ছড়িয়ে আছে নানা পর্যটনকেন্দ্র। রয়েছে অনেক আধ্যাত্মিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানও। যেখানে হাজার হাজার পুণ্যার্থী প্রতিদিন ভিড় জমান।
উত্তরপ্রদেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এমন নানা পর্যটনকেন্দ্রে এবার থেকে আর বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় গাইড লাগবেনা। পর্যটকেরা ওই স্থান সম্বন্ধে সঠিক ও বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন বারকোড স্ক্যান থেকে।
৫৭৫টি প্রকল্প রূপায়ণের স্থির হয়েছে। যার মধ্যে ১৪টি স্থানে ইতিমধ্যেই বারকোড বসেছে। পাথর বা ধাতব পাতের ওপর সেই স্থানের ইতিহাস ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে লেখাও থাকছে। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের আরও বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও এই ব্যবস্থা করা হবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











