National

কোথাও হাজার হাজার শাঁখ তো কোথাও খাঁটি সোনা, গণেশমূর্তিতে চমকের পর চমক

গণেশ পুজোয় সব গণেশমূর্তিই যে মাটির ওপর পারম্পরিক রং ও রূপদানে তৈরি তা নয়। অনেক অন্য বস্তুও গণেশমূর্তির উপকরণ হিসাবে সামনে এল।

মহারাষ্ট্র গণেশ পুজোর জন্য বিখ্যাত। বলা হয় বাংলার দুর্গাপুজোর মতই মহারাষ্ট্রের গণেশ পুজো। সেখানে গণেশমূর্তিতেও বৈচিত্র্য মুগ্ধ করছে ভক্তদের। তবে মহারাষ্ট্র ছাড়াও দক্ষিণের কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানাতেও ধুমধাম করে গণেশ পুজো অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও গণেশমূর্তিতে চমক নজর কেড়ে নিচ্ছে।

যেমন তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের একটি পুজোর উদ্যোক্তারা চমক দিয়েছেন শঙ্খ বা শাঁখ দিয়ে। পাশেই সমুদ্র। তাই শাঁখ পাওয়ার অসুবিধা নেই। নানা আকার ও আয়তনের শাঁখ সহজলভ্য এখানে।

চেন্নাইয়ের ওই পুজো কমিটি এবার শেই শাঁখ দিয়ে গণেশমূর্তি তৈরি করে চমক দিয়েছে। ব্যবহার হয়েছে ১২ হাজার বিভিন্ন আকারের শাঁখ। সাদা ধবধবে শাঁখের গণেশ চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে ভক্তদের। শাঁখের গণেশ দেখতে উপচে পড়ছে ভিড়।

একদিকে যখন চেন্নাইতে শাঁখের গণেশ খ্যাতি অর্জন করেছে, তেমনই অন্যদিকে হায়দরাবাদ শহরে নজর কেড়ে নিয়েছে সোনা ও আমেরিকান ডায়মন্ড বসানো গণেশমূর্তি।

গণেশমূর্তিটি তৈরি করতে খাঁটি ২৪ ক্যারেট সোনার প্লেটিং ব্যবহার করা হয়েছে। যার ওপর খচিত হয়েছে ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৮০০ আমেরিকান ডায়মন্ডের ঝলকানি।

সোনা ও হিরের মত ঔজ্জ্বল্যে ভরা আমেরিকান ডায়মন্ডের চোখ ঝলসে দেওয়া রূপ দেখতে সেখানেও উপচে পড়া ভিড়। হায়দরাবাদ শহরের বেগম বাজার এলাকায় রয়েছে লি-চি পার্লস অ্যান্ড জুয়েলস। সেখানেই এই গণেশমূর্তি নজর কেড়েছে। অবশ্য মূর্তি যে বিশাল আকারের তা নয়। তবে তার সোনা ও আমেরিকান ডায়মন্ডের সাজ চোখ সরাতে দিচ্ছেনা।

Show Full Article