৫৫ ফুট উঁচু গাছে ওঠা জলভাত করে দিলেন এক কৃষক, দিনে যতবার ইচ্ছে ওঠানামা সম্ভব
একটি তালগাছের লম্বা গুঁড়ি তাল রসে এতটাই পিচ্ছিল হয়ে থাকত যে গত ১০ বছরে সে গাছে কেউ ওঠেননি। এখন সেখানে দিনে যতবার ইচ্ছে ওঠানামা করা যাচ্ছে।
এ গাছে গত ১০ বছরে কেউ উঠতে পারেননি। একে এই তালগাছ ৫৫ ফুট উঁচু। তাতে আবার তার লম্বা গুঁড়ি সর্বদা পিচ্ছিল থাকে তাল রসে। ফলে তাতে ওঠা প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছিল।
এদিকে ৭০ বছরের পুরনো এ তালগাছ থেকে যে তাল রস পাওয়া যায় তার দাম অনেক। সাধারণ তালগাছের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি তাল রস দিনে সরবরাহ করতে সক্ষম এই গাছ।
কিন্তু তাতে যদি চড়াই না যায় তাহলে তাল রস আসবে কোথা থেকে? আর যদি তাল রস পাওয়াই না যায় তাহলে মুনাফা হবে কি করে? তাই তাঁদের পারিবারিক এই তালগাছে চড়ার এক অভিনব উপায় বার করলেন ধিনাকারাজ।
তামিলনাড়ুর সালাইপুদুর গ্রামের বাসিন্দা ধিনাকারাজের বাবা এই গাছে একসময় উঠতেন। কিন্তু তিনিও আর এ গাছে উঠতে পারেননা। ১০ বছর ধরে এ গাছকে কাজে লাগিয়ে রোজগার হচ্ছেনা।
তাই গাছে ওঠানামা জলভাত করে তুলতে গাছের গুঁড়ি বেয়ে ঘোরানো সিঁড়িই বানিয়ে ফেলেছেন ধিনাকারাজ। যে সিঁড়ি বেয়ে একদম তালগাছের মাথায় পৌঁছে যাওয়া এখন খুবই সহজ হয়ে গেছে। বাচ্চা থেকে বয়স্ক মানুষ, যে কেউ সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যেতে পারবেন এই গাছের মগডালে।
এতে সুবিধাও হয়েছে। গাছটি দিনে ২০ লিটারের ওপর তাল রস সরবরাহ করতে পারে। যা দৈনিক সংগ্রহ করে বেচে মুনাফা ঘরে তুলছেন ধিনাকারাজ। এদিকে তাঁর তালগাছে চড়ার এই অভিনব ভাবনা দেখতেও বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন ওই গ্রামে।











