Lifestyle

সঙ্গীতের তালের সঙ্গে খাবার খাওয়ার যোগ রয়েছে, দ্রুত খাওয়া হয়ে যায় বিশেষ সুরে

খাওয়ার সময় অনেকে গান শুনে থাকেন। সুরের সঙ্গে কিন্তু খাওয়ার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। দ্রুত খাওয়া বা আস্তে খাওয়া নির্ভর করে সুরের ওপর।

অনেকে বাড়িতেও গান বা কোনও সুর শুনতে শুনতে খেতে পছন্দ করেন। রেস্তোরাঁয় অনেকসময় সুর বাজতে থাকে। এমনকি অনেক রেস্তোরাঁয় যখন গ্রাহকরা খেতে ব্যস্ত, তখন গায়ক, গায়িকারা গান গাইতে থাকেন। কারণ একটাই। সুরের সঙ্গে খাওয়ার এক যোগ সরাসরি রয়েছে। খেতে খেতে কেমন সুর শুনছেন তার ওপর নির্ভর করে খাওয়ার গতি।

গবেষণা বলছে যদি কেউ খুব গতির গান বা সুর শুনতে শুনতে খাওয়াদাওয়া করেন, তাহলে তাঁর খাওয়ার গতিও তাঁর অজান্তেই বেড়ে যায়। দ্রুত গানের সঙ্গে যেন তাল মেলাতে চাল তাঁর চিবোনো।

এ এক অদ্ভুত যোগ। তাই দেখা গেছে দ্রুত লয়ে চলা সঙ্গীত মানুষকে দ্রুত খেতে উৎসাহ দেয়। যা আদপে মনের ওপর প্রভাব ফেলে। যা খাওয়ার গতিকে না চাইলেও বাড়িয়ে দেয়।

ঠিক উল্টোটা হয় ধীরে চলা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে আবার খাওয়ার গতিও মন্থর হয়ে যায়। মানুষ বেশ আয়েশ করে ধীরে সুস্থে খেতে থাকেন। দীর্ঘায়ত হয় খাওয়ার সময়।

যত ধীর সুর তাঁর কানে যাবে, তিনি ততই ধীরে ধীরে খাবার খাবেন। অনেক সময় রেস্তোরাঁতেও ধীরে চলা সুর বাজতে থাকে। গ্রাহকরা বিভিন্ন টেবিলে বসে পরিবার, বন্ধু, আত্মীয় বা প্রিয়জনকে নিয়ে কেবল পেট ভরানোর খাবারই খান না, সেই সঙ্গে একটা সুন্দর মনে রাখার মত সময় উপভোগ করেন।

Show Full Article