১০২ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে এল বালির কুণ্ডলী, বিপর্যস্ত বিশাল অঞ্চলের জনজীবন
আচমকাই ধেয়ে এল বালির কুণ্ডলী। চারধার ঝাপসা হয়ে গেল। মানুষ পালালেন ঘরে। স্তব্ধ জনজীবন। পিছু ছাড়ল না শিলাবৃষ্টি এবং বৃষ্টি।
আগুনে গরমে পুড়ছিল এতদিন। তাপপ্রবাহ প্রাত্যহিক হয়ে উঠেছিল। অধিকাংশ জায়গার পারদ ৪৩ ডিগ্রির ওপর রেকর্ড হচ্ছিল। সেটাও অবিরাম। দিনের পর দিন। ফলে মানুষ ত্রাহি ত্রাহি রব তুলছিলেন। এমন লাগাতার গরম সহ্য করে কোনওক্রমে চলছিল জীবন।
এরমধ্যে আচমকাই বদলে গেল আবহাওয়া। সৌজন্যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আর তার জেরেই আগুনে গরমে জ্বলতে থাকা মরুরাজ্য রাজস্থানের একটা বড় অংশ মুখ ঢাকল বালিতে। বালি ঝড়ে বিপর্যস্ত হল চুরু, হনুমানগড়, শ্রীগঙ্গানগর, বিকানের, জয়সলমীর, নাগুর, আলোয়ার, দিদওয়ানা-কুচমান এবং সিকর।
বালি ঝড়ের গতি ছিল যথেষ্ট। ১০২ কিলোমিটার গতিতে বয়ে যায় বালির কুণ্ডলী। চারদিক ঝাপসা হয়ে যায়। হলুদ বালিতে ভরে যায় চারধার। আচমকা এই আবহাওয়ার পরিবর্তনে দিনের বেলাতেও চারধার যেন অন্ধকারে ঢেকে যায়।
গাড়ি চালকদের প্রবল সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। দৃশ্যমানতা প্রায় ছিলনা। প্রবল গতির এই বালি ঝড়ে অনেক জায়গায় উপড়ে যায় গাছ। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অনেক এলাকা।
কিছু জায়গায় বালি ঝড়ের দোসর হয় শিলাবৃষ্টি ও বৃষ্টি। জয়পুর, আজমের ও যোধপুরে প্রবল বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়। এই আচমকা আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে অসহ্য গরমে জ্বলতে থাকা রাজস্থান কিছুটা গরম থেকে রেহাই পেল ঠিকই, তবে এই ঝড় ও বৃষ্টির জেরে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ঝড়বৃষ্টি আরও হতে পারে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











