National

পরিচারিকার সঙ্গে মিলনের সময় মৃত্যু হল ব্যবসায়ীর

পরিচারিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকাকালীন মৃত্যু হল এক ব্যবসায়ীর। যা দেখে ভয় পেয়ে যান ওই মহিলা। স্বামীকে ডেকে দেহ সরিয়ে ফেলেন তিনি।

তাঁর বাড়ির পরিচারিকার সঙ্গে তাঁর একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই পরিচারিকার সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে তাঁর বাড়িও যাতায়াত করতেন ওই ব্যবসায়ী।

সেদিনও পরিবারের লোকজনকে কাজ আছে বলে বাড়ি থেকে বার হন ওই ব্যবসায়ী। তারপর সোজা হাজির হন পরিচারিকার বাড়িতে। সেখানে পরিচারিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কেও লিপ্ত হন তিনি।

সেই মিলন পর্ব চলাকালীনই আচমকা ওই ব্যবসায়ী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। যা দেখে ভীত হয়ে পড়েন ওই মহিলা। তিনি নিজেকে কিছুটা সামলে নিয়ে খবর পাঠান তাঁর স্বামী ও ভাইয়ের কাছে। স্বামী ও ভাই মহিলার ডাকে হাজির হলে ওই মহিলা পুরো বিষয়টি জানান।

এই মৃত্যুতে মহিলার হাত রয়েছে এটা প্রমাণ হতে পারে বলে মনে করে কাউকে কিছু না জানিয়ে দেহটি একটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে মুড়ে ফেলেন মহিলার স্বামী ও ভাই। তারপর তাঁরা দেহটি নিয়ে গিয়ে একটি ফাঁকা জায়গায় ফেলে আসেন।

এদিকে ৬৭ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ী বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোক পুলিশে জানান। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই ব্যক্তির ফোনের সূত্র ধরে ওই পরিচারিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সব কথা খুলে বলে ফেলেন ওই মহিলা।

পুলিশ বৃদ্ধ ওই ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তের পর এটা পুলিশেও মনে করছে যে মিলনের সময় বালাসুব্রহ্মণ্যম নামে ওই বৃদ্ধ ব্যবসায়ীর হার্ট অ্যাটাক হয়। তার জেরেই মৃত্যু হয় তাঁর।

তবে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক ধারায় ওই পরিচারিকা, তাঁর স্বামী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button