১০৮ বছরে সর্বোচ্চ থেকে ১ বছরের মধ্যে ১৭ বছরে সর্বনিম্ন, মরুরাজ্যে মাটি ফেটে চৌচির
১ বছরের ব্যবধানে আশ্চর্য বৈপরীত্য। আর তার জেরেই এখন মাটি চেয়ে আছে আকাশের দিকে। একফোঁটা জলের আশায়। ফেটে চৌচির মরু মাটি।
মাটি ফেটে গেছে। খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কৃষকরা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন একটু জলের আশায়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, এল নিনো প্রভাব এক আশ্চর্য পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে মরুরাজ্য রাজস্থানে।
যে রাজস্থান গতবছর বর্ষায় ১০৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি পেয়েছিল। সেখানেই এক চরম বৈপরীত্যের হাত ধরে এবার বর্ষায় গত ১৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টি পেয়েছে এই রাজ্য। যার প্রভাব পড়েছে রাজস্থানের যোধপুর, বারমের, জয়সলমীর এবং বালোত্রায়।
এখানে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। এসব জায়গায় বৃষ্টির অভাবে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সরকার সবদিক খতিয়ে দেখছে বলেই জানিয়েছেন রাজস্থানের কৃষি মন্ত্রী। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার কাজ চলছে। এদিকে রাজস্থানের যেসব জায়গায় এই কম বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে সেখানে পশুখাদ্যও সমস্যার মুখে পড়েছে।
বর্ষায় এবার বৃষ্টি দেশজুড়ে সব জায়গায় স্বাভাবিক ছিলনা। কোথাও একটু বেশি তো কোথাও কম বৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি রাজ্যে আবার স্বাভাবিক বৃষ্টিও হয়েছে। কিন্তু এই কম বৃষ্টির তালিকায় জায়গা পেয়েছে রাজস্থান।
এল নিনো-র প্রভাবে এমনটা হতে পারে বলে বর্ষার আগেই জানিয়ে দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। ভারত জুড়ে বর্ষা এবার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই কম রেকর্ড হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে রাজস্থানে।
প্রভাব পড়েছে মহারাষ্ট্রেও। সেখানেও খরা পরিস্থিতিতে ভুগতে হয়েছে কৃষকদের। এদিকে রাজস্থানের একাংশে খরা পরিস্থিতি নিয়ে সেখানে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তরজা তুঙ্গে উঠেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











