National

পাহাড়ি পথে ভারী বিয়ের পোশাকে ১৮ কিলোমিটার হেঁটে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছলেন নববধূ

পাহাড়ি পথ। পথ প্রায় নেই। এবড়োখেবড়ো পাথুরে জমি। তাও আবার উৎরাই চড়াইতে ভরা। সেই পথেই ১৮ কিলোমিটার হেঁটে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছলেন নববধূ।

রাস্তা বলে কিছু নেই। পথ বলতে পাহাড়ি পাথুরে উঁচু নিচু দুর্গমতা। যে পথেই হেঁটে প্রায় ১৮ কিলোমিটার যেতে হল এক নববধূকে। পরনে ভারী লেহেঙ্গা। বিয়ের পোশাক। গায়ে গয়না। পরনে এক নববধূর যা থাকে তা পুরোদস্তুর বর্তমান। আর সে পোশাকে যে এই পথে হাঁটা আরও কতটা কঠিন তা অনুমেয়।

সেই পথেই হেঁটে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছলেন সদ্যবিবাহিতা এক তরুণী। তাও আবার তাঁকে সময়ে পৌঁছতে হত। কারণ শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছনো এবং সেখানে তাঁর প্রথম পদক্ষেপের একটা রীতি রয়েছে। যা সময়ের মধ্যেই সারতে হত।

তাই বিশ্রাম নেওয়ার মত সময় সেভাবে পাননি ওই তরুণী। তাঁর সঙ্গে পা মেলান অন্যরাও। এই ঘটনা সামনে এসেছে সমাজ মাধ্যমের হাত ধরে।

উত্তরাখণ্ডের চাকরাতা-র বাসিন্দা শর্মিলার বিয়ে হয়েছে আনদাভা নামে একটি প্রত্যন্ত জায়গায়। তাঁর পিতৃগৃহ থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথ বলতে সে অর্থে কিছু নেই। আছে পাহাড়ি দুর্গম পাথুরে জমি। যার ওপর দিয়ে উৎরাই চড়াই পার করে হেঁটে চলা।

শর্মিলা এই পথ অতিক্রম করেন ঠিকই, তবে একটি আবেদনও তিনি করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। স্থানীয়দের যাতে এভাবে যাতায়াত করতে না হয় সেজন্য এখানে রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। এই পথ যে কতটা জরুরি তা অবশ্য বিয়ের পর এক নববধূর এভাবে পায়ে হেঁটে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছনোর ঘটনা থেকেই পরিস্কার।

Show Full Article