World

সহকর্মী তরুণ জড়িয়ে ধরতেই তরুণীর বুকে শুরু অস্বস্তি

কথা বলছিলেন সহকর্মী এক তরুণ ও তরুণী। কথা বলতে বলতে ২ জন সৌজন্য বিনিময়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। তারপরই তরুণী বুকে একটা অস্বস্তি অনুভব করেন।

এক তরুণ ও তরুণী একই সংস্থায় কাজ করেন। তাঁদের বন্ধুত্বও বেশ প্রগাঢ়। তাঁরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলছিলেন দাঁড়িয়ে। হাল্কা মেজাজে চলছিল কথা। কথা প্রায় শেষ হতে ২ জনে নিজের নিজের কাজে যাওয়ার আগে একে অপরকে আলিঙ্গন করেন।


খুব স্বাভাবিকভাবেই এক্ষেত্রে তরুণীর বুকের অংশ তরুণের শরীরে লেপ্টে যাবে। কিন্তু তার জন্য কেউ আর্তনাদ করে ওঠেন কি! এর আগেও অনেকবারই ওই তরুণী সৌজন্য আলিঙ্গন করেছেন। তখন তো তাঁর বুকে এমন অস্বস্তি হয়নি! আলিঙ্গনরত অবস্থাতেই আর্তনাদ করে ওঠেন তরুণী। কিছুটা সচকিত হয়েই তাঁকে ছেড়ে সরে আসেন তরুণ।

বুকে একটা অস্বস্তি কিন্তু ওই তরুণীকে ভোগাচ্ছিল। তিনি বাড়ি ফিরে বুকে তেল মালিশ করে শুয়ে পড়েন। ভেবেছিলেন তাতে কাজ হবে। কিন্তু কাজ তো হয়নি, বরং অস্বস্তি বাড়তেই থাকে।



অগত্যা চিকিৎসকের কাছে পৌঁছন তরুণী। চিকিৎসক তাঁকে এক্সরে করার পরামর্শ দেন। এক্সরে করতে দেখা যায় একটা নয়, পাঁজরের ৩টি হাড়ে চিড় ধরে গেছে।

ওই তরুণীর চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু তিনি চিকিৎসাতেই থেমে থাকেননি। তরুণীর দাবি, ওই তরুণ সহকর্মী তাঁকে এতটাই জোরে জাপটে ধরেছিলেন যে তাতে তাঁর বুকের পাঁজরের হাড়ে পর্যন্ত চিড় ধরে গেছে। ওই তরুণী সহকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে চিনের ইউয়াং শহরে।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button