National

নেতাজির চিতাভষ্ম নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর ওপর আরও চাপ বাড়াল শিবসেনা

নেতাজিকে নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ বাড়াল শিবসেনা। শিবসেনা সাংসদ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন। যার উত্তর এবার প্রধানমন্ত্রী কি দেন তা দেখার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে চাপ বাড়াল শিবসেনা। শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে দেশের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে যে আজাদি কি অমৃত মহোৎসব পালিত হচ্ছে সে কথা উল্লেখ করে নেতাজির জন্য যথার্থ সম্মান প্রদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছে।

চিঠিতে সাংসদ লিখেছেন নেতাজির কন্যা অনিতা পাফ বসু-র আবেদনকে সম্মান জানিয়ে নেতাজির চিতাভষ্ম ভারতে ফেরানো হোক।

চিতাভষ্ম ভারতে ফিরিয়ে নেতাজিকে প্রাপ্য সম্মান প্রদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে এই একই চিঠি তিনি বিদেশমন্ত্রীকেও পাঠিয়েছেন।

মনে করা হয় নেতাজির চিতাভষ্ম জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা আছে। এতদিন ধরে সেখানে থাকলেও ভারতে তা ফেরানোর উদ্যোগ কখনওই নেওয়া হয়নি।

মাঝে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগী হলেও বিষয়টি তেমন একটা এগোয়নি। তারপর নরেন্দ্র মোদী সরকার নেতাজি সংক্রান্ত কিছু ফাইল প্রকাশ করলেও চিতাভষ্ম ফেরানো নিয়ে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি।

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মুখ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চিতাভষ্ম দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পার করেও কেন জাপান থেকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ কোনও সরকার গ্রহণ করল না তা একটা রহস্য হয়েই থেকে গেছে। এদিকে নেতাজি কন্যা অনিতা কিন্তু জানিয়েছেন ডিএনএ পরীক্ষা করাতে তাঁর তরফে কোনও আপত্তি নেই। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button